শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

হেফাজতকে তোলার প্রক্রিয়া ছিলো অগণতান্ত্রিক: এরশাদ



imagesডেস্ক রিপোর্ট : মতিঝিলে অবস্থান নেয়া হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়াটি গণতন্ত্রের জন্য ‘ক্ষতিকর’ বলে মন্তব্য করেছেন গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদ।
গণজাগরণবিরোধী হেফাজতকে সমর্থন দেয়া এরশাদ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থানরত ও ঘুমন্ত হেফাজতকর্মীদের ওপর রাতের আঁধারে যে ধরনের গুলিবর্ষণ ও হামলা চালানো হয়েছে, তা নজিরবিহীন।
“দেশে এ ধরনের পরিস্থিতি হওয়া গণতন্ত্র, পরবর্তী নির্বাচন এবং সংবিধানের জন্য সহাযক নয়।”
মতিঝিলে সেদিন এবং দেশের অন্য স্থানে হেফাজতের কতজন হতাহত হয়েছে, তা জানতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন এরশাদ।
‘নাস্তিক’ ব্লগারদের শাস্তি দাবিতে ঢাকা অবরোধের পর হেফাজতকর্মীরা গত রোববার রাজধানী পল্টন, বিজয়নগর এলাকায় তাণ্ডব চালায়।
মতিঝিলে তাদের সমাবেশ চলার মধ্যে দৈনিক বাংলা থেকে পল্টন পর্যন্ত অসংখ্য দোকানে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতকর্মীরা।
রাতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে হেফাজতকর্মীদের তুলে দেয়ার পর মতিঝিলে অনেক ভবনে ভাংচুরের চিহ্ন পাওয়া যায়, সড়ক বিভাজকের গাছ ও বেষ্টনিও পাওয়া যায় ভাঙা অবস্থায়।
শাপলা চত্বরে সমাবেশস্থলের বাইরে পল্টন, বিজয় নগরে সংঘাতের দায় হেফাজতের নয় বলে দাবি করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ।
তিনি বলেন, “সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই শাপলা চত্বরে সমাবেশ করছিলো তারা, সমাবেশস্থলে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করেছে। সমাবেশস্থলের বাইরে যে ঘটনা ঘটেছে, তার দায়িত্ব হেফাজতের কর্মীদের ওপর দেয়া যাবে না।”
হতাহতের জন্য দায়ীদের শাস্তির দাবি জানান এরশাদ। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহনশীলতার পরিচয় দেয়ারও আহ্বানও জানান তিনি।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিতেও সরকারকে পরামর্শ দেন মহাজোটের এই নেতা।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত