বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জেএমবি সম্পর্কে আলোচনায় ঢাকায় আসছে ভারতীয় গোয়েন্দারা



nia-vs-jmbনিউজ ডেস্ক :: জঙ্গি সংগঠন জেএমবির ভারতে কর্মকাণ্ড পরিচালনার আশঙ্কাকে সামনে রেখে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ এর একটি প্রতিনিধি দল আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে আসছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা এর আগে বাংলাদেশকে সতর্ক করেছিল যে, এই জঙ্গি সংগঠন শেখ হাসিনার সরকার পতনের জন্য পরিকল্পনা করছে। বাংলাদেশে জেএমবির সন্দেহভাজনদের বিরাট অংশ আশ্রয় নিয়েছে ভারতে।
একজন এনআইএ কর্মকর্তা টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, জেএমবি সদস্যরা বাংলাদেশী নিরাপত্তা সংস্থার নজরে পড়লেই তারা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে আসে। এই কর্মকর্তার অনুমান সত্যি বলে প্রমাণিত হয় গত মাসে চারজন জেএমবি সদস্য বাংলাদেশে আটক হলে। ডিবি কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃতরা অনেকবার পাকিস্তান সফর করেছেন যাদের মধ্যে ইদ্রিস শেখ পাকিস্তান গেছেন ৪৮ বার।
এখন পর্যন্ত এনআইএ ১০০ জেএমবি সদস্যর নাম বাংলাদেশকে দিয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গর কিছু জেলাকে সতর্ক করেছে। এনআইএর একজন কর্মকর্তা বলেনে, জেএমবি মাদ্রাসা ব্যবহার করে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেয়। তারা তাদের অস্ত্র তৈরি ও চালানোর প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শারীরিক প্রশিক্ষণও দেয়। ভারতের সতর্কতার কথা নিশ্চিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ভারত সরকার আমাদের জেএমবির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত করেছে। আমার সেগুলো দমন করতে ব্যবস্থা নিয়েছি।

খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের জেএমবি সংশ্লিষ্ট তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা কয়েকজন জেএমবি সদস্যর নাম প্রকাশ করেছেন। সাদিক ওরফে সুমন, শেখ রহমতুল্লাহ ওরফে সাজ্জিদ ও নাইমকে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা খুলছিল। পুলিশ তাদের খোজ শুরু করলে তারা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালায়।
এর আগে জেএমবি সদস্যরা বগুড়া, সিলেট, রাজশাহী ও কুষ্টিয়ায় ঘাটি গড়ে তোলার চেষ্টা করে। তবে এনআইএর এক কর্মকর্তা জানান, তার আগেই বৃহত্তর বাংলার জন্য পরিকল্পনা করে জেএমবি। খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করা হয়েছে যার মধ্যে এখন পর্যন্ত পাঁচজন পলাতক রয়েছেন।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত