বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ফলাফল প্রত্যাখান, ইসি ও সরকারের পদত্যাগের দাবি বিএনপির



mirza-fakhrul-bnp-30-12-15নিউজ ডেস্ক :: পৌর নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট পৌর নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করছে। একই সঙ্গে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে প্রতারণা করা এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতার জন্য আমরা নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পদত্যাগ দাবি করছি।’
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
পৌর ভোটে বিএনপির ভরাডুবির প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, নীল নকশার পৌর নির্বাচনে সরকার তাদের অনুগত নির্বাচন কমিশন, দলীয়করণকৃত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করে জনগণের রায়কে ছিনতাই করে এক নজীরবিহীন ত্রুটিপূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রহসন করেছে।
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, সরকারের অগণতান্ত্রিক, ফ্যাসিবাদী আচরণ ও নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতায় এ কথাই প্রমাণিত হয়েছে যে, এ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও সুষ্ঠু হতে পারে না। গতকালের পৌর নির্বাচন সেই সত্যেরই প্রামাণিক চিত্র হিসেবে গোটা জাতি সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য, গতকাল ৩০ ডিসেম্বর বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, ‘অনিয়ম’ আর বর্জনের মধ্য দিয়ে ২৩৪টি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মেয়র পদে অধিকাংশটিতে জয়ী হয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা। স্থানীয় সরকারের এই ভোটে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ বিএনপি করলেও নির্বাচন কমিশন বলছে, ‘বিচ্ছিন্ন’ কিছু ঘটনা ছাড়া নির্বাচন ছিল শান্তিপূর্ণ। আওয়ামী লীগও ভোট নিয়ে সন্তোষ জানিয়েছে।
সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২৩৪ পৌরসভার মধ্যে ২২৭টির ফল পাওয়া গেছে। এতে নৌকা প্রতীক নিয়ে এতে মেয়র পদে ১৭৭ জন আওয়ামী লীগ প্রার্থী, ১৮ জন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী, ২২ জন বিএনপি প্রার্থী, ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও অন্যান্য ২ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।নিউজ ডেস্ক :: পৌর নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট পৌর নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করছে। একই সঙ্গে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে প্রতারণা করা এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতার জন্য আমরা নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পদত্যাগ দাবি করছি।’
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
পৌর ভোটে বিএনপির ভরাডুবির প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, নীল নকশার পৌর নির্বাচনে সরকার তাদের অনুগত নির্বাচন কমিশন, দলীয়করণকৃত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করে জনগণের রায়কে ছিনতাই করে এক নজীরবিহীন ত্রুটিপূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রহসন করেছে।
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, সরকারের অগণতান্ত্রিক, ফ্যাসিবাদী আচরণ ও নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতায় এ কথাই প্রমাণিত হয়েছে যে, এ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও সুষ্ঠু হতে পারে না। গতকালের পৌর নির্বাচন সেই সত্যেরই প্রামাণিক চিত্র হিসেবে গোটা জাতি সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য, গতকাল ৩০ ডিসেম্বর বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, ‘অনিয়ম’ আর বর্জনের মধ্য দিয়ে ২৩৪টি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মেয়র পদে অধিকাংশটিতে জয়ী হয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা। স্থানীয় সরকারের এই ভোটে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ বিএনপি করলেও নির্বাচন কমিশন বলছে, ‘বিচ্ছিন্ন’ কিছু ঘটনা ছাড়া নির্বাচন ছিল শান্তিপূর্ণ। আওয়ামী লীগও ভোট নিয়ে সন্তোষ জানিয়েছে।
সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২৩৪ পৌরসভার মধ্যে ২২৭টির ফল পাওয়া গেছে। এতে নৌকা প্রতীক নিয়ে এতে মেয়র পদে ১৭৭ জন আওয়ামী লীগ প্রার্থী, ১৮ জন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী, ২২ জন বিএনপি প্রার্থী, ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও অন্যান্য ২ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত