সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বন্ধের সমালোচনায় পিকেআর



35নিউজ ডেস্ক :: বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিতে মালয়েশিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের আকস্মিক সিদ্ধান্তের সমালোচনা হয়েছে অনেক। সরকারের ভেতরেও এ নিয়ে রয়েছে অসন্তোষ। মন্ত্রীদের বক্তব্যে বিষয়টি উঠে এসেছে। শিল্প-উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বলেছেন, নতুন কর্মী নিয়োগ দিতে না পারলে উৎপাদন ব্যহত হবে। এ সমালোচনায় এবার যুক্ত হয়েছে বিরোধী কিয়াদিলান রাকায়াত (পিকেআর) পার্টি।

দলটির ডেপুটি প্রেসিডেন্ট আজমিন আলী তিন বছরে ১৫ লাখ কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সইয়ের একদিনের মধ্যে সরকারের এ ঘোষণার কঠোর সমালোচনা করেন। বলেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্তে অবাক হওয়ার কিছু নেই এজন্য যে, সঠিক দিক-নির্দেশনার অভাবে ভুগছে সরকার। গত ক’বছর ধরে সরকার সিদ্ধান্তে দোদুল্যমানতার প্রকাশ ঘটছে।’

রোববার চীনা নববর্ষ উদযাপনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। বলেন, ‘প্রাক-গবেষণা এবং শিল্প-উদ্যোক্তাসহ শ্রমঘন শিল্প-কারখানা মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া কোনভাবেই উচিত হয়নি।’ আসলে এ সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও মন্ত্য করেন আজমিন আলী।

এতে নেতৃত্বের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। দেশের অর্থনীতির পরিবেশ বুঝতে না পারা, ভবিষ্যৎ ভিশন সম্পর্কে সঠিক ধারনা না থাকা দুর্বল নেতৃত্বেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করেন আজমিন আলী। তিনি বলেন, ‘এ নেতৃত্ব বহাল থাকলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে থাকবে।’

উল্লেখ্য, ঢাকা সফরে এসে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ থেকে তিন বছরে ১৫ লাখ কর্মী নিতে জিটুজি প্লাস চুক্তি করেন। একদিন পর বিদেশি কর্মী নিয়োগ স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয় দেশটির উপ প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বাজার। বর্তমানে প্রায় ছয় লাখ বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন পেশায় রয়েছেন।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৩ সালে জিটুজি পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে শুরু করে মালয়েশিয়া।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত