মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

আমার তিন বছরের ছেলের মাংস খাচ্ছি!



Yazidi sisters, who escaped from captivity by Islamic State (IS) militants, sit in a tent at Sharya refugee camp on the outskirts of Duhok province July 3, 2015. The sisters were among one hundred women, men and children taken by IS as prisoners after the militants attacked their village of Tal Ezayr in the northern Iraqi province of Mosul close to Syrian border last year. In an interview with Reuters TV, the sisters talked about their horrific ordeal, treatment of women by the militants, and their eventual escape. Picture taken July 3, 2015. REUTERS/Ari Jala      TPX IMAGES OF THE DAY      (Newscom TagID: rtrlseven200023.jpg) [Photo via Newscom]

Yazidi sisters, who escaped from captivity by Islamic State (IS) militants, sit in a tent at Sharya refugee camp on the outskirts of Duhok province July 3, 2015. The sisters were among one hundred women, men and children taken by IS as prisoners after the militants attacked their village of Tal Ezayr in the northern Iraqi province of Mosul close to Syrian border last year. In an interview with Reuters TV, the sisters talked about their horrific ordeal, treatment of women by the militants, and their eventual escape. Picture taken July 3, 2015. REUTERS/Ari Jala TPX IMAGES OF THE DAY (Newscom TagID: rtrlseven200023.jpg) [Photo via Newscom]

নিউজ ডেস্ক ::
দখল হয়ে গিয়েছিল গ্রামটা। আইএস জঙ্গিদের উদ্যত বন্দুকের সামনে নিজেদের গ্রামেই শরণার্থীর মতো জীবন কাটাচ্ছিলেন সিরিয়ার সংখ্যালঘু ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের মানুষগুলো। কথার অবাধ্য হলেই পুরুষদের খুন করছিল জঙ্গিরা। মহিলাদের আলাদা করে নিয়ে গিয়ে যৌনদাসী বানানো হচ্ছিল। মা-বাবাদের থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল শিশুদেরও।
নারী-পুরু-শিশু নির্বিশেষে অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছিল জঙ্গিরা। সেই দিনগুলোর কথা মনে করতে গিয়ে বার বার কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন ইয়াজিদি যুবতী ভিয়ান দাখিল। শিউরে উঠছিলেন ভয়ঙ্কর স্মৃতিগুলো উঁকি দিতেই। আইএস বন্দি শিবির থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সিরিয়ায় আর থাকতে চান না দাখিলরা। আমেরিকায় থিতু হতে চান। মার্কিন সংবাদ মাধ্যমে মুখ খুলে যা জানালেন দাখিল, তা শুনলেই শিউরে উঠতে হয়?
প্রায় দু’দিন খেতে দেয়নি জঙ্গিরা। পেটের জ্বালায় সকলেরই কাহিল অবস্থা। তার মধ্যে চলছে যৌন অত্যাচার। অসহনীয় অবস্থায় দু’দিন কাটার পর খাবার এসেছিল। মাংস-ভাত দিয়েছিল জঙ্গিরা। দাখিলের পাশে বসে যে মহিলা খাচ্ছিলেন, তাঁর সামনে এসে বাঁকা হাসি নিয়ে এক জঙ্গি জিজ্ঞাসা করল, ‘‘মাংস-ভাত ভাল লাগছে?’’ সন্ত্রস্ত, বিধ্বস্ত মহিলা মাথা নেড়ে সম্মতি দিলেন। জঙ্গি আরও চওড়া হেসে বলল, ‘‘ভাল করে খাও। তোমার তিন বছরের ছেলেটার মাংস এটা।’’

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত