বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

কানাডায় যেতে ইচ্ছুকদের দরুন সুযোগ



36নিউজ ডেস্ক: ইমিগ্রেশনের বড় সুযোগ দিয়েছে কানাডা। দেশটির কুইবেক প্রদেশে ৫০ হাজার দক্ষ ও শিক্ষিত মানুষের চাহিদা রয়েছে। আমেরিকা মহাদেশের এই দেশটিকে বসবাসে পৃথিবীতে সবচেয়ে উপযুক্ত বলেই মনে করা হয়।
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজু) বলেন, কানাডা নতুন এ সুযোগের মাধ্যমে তাদের দক্ষ ও শিক্ষিত জনবল বৃদ্ধি করবে। শুধু কুইবেক প্রদেশ থেকেই চাহিদা চাওয়া হয়েছে ৫০ হাজার দক্ষ ও শিক্ষিত অভিবাসীর।
তবে এ ক্ষেত্রে আগ্রহী ব্যক্তিকে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

তিনি জানান, এই সুযোগের অধীনে কানাডায় মাইগ্রেশনের বড় শর্ত হচ্ছে উচ্চ শিক্ষিত হতে হবে (স্নাতক বা ডিপ্লোমা)। এক্ষেত্রে ইংরেজি দক্ষতার আইএলটিএস পরীক্ষায় চাওয়া হয়েছে সর্বনিম্ন স্কোরই, মাত্র ৪.৫। আর বয়স ২১ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে। তবে দেশে কমপক্ষে ২ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এ ক্ষেত্রে আগ্রহীরা কানাডা ইমিগ্রেশনের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়েও বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে মাইগ্রেশন:

দক্ষিণ গোলার্ধের দ্বীপদেশ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড দিন দিনই হয়ে উঠছে নিরাপদে ব্যবসা ও বিনিয়োগের স্বর্গ। দেশ দু’টির পক্ষ থেকেও বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের অভিবাসন বিষয়ক শর্ত যেমন শিথিল করা হচ্ছে, তেমনি নিশ্চিত করা হচ্ছে নিরাপদ ব্যবসার প্রেক্ষাপট।

ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ায় এ ধরনের মাইগ্রেশনের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৫৫ বছর এবং নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৬৫ বছর। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য। এসব দেশে একক মালিকানা অথবা অংশীদার হয়েও বিজনেস ও ইনভেস্টমেন্ট মাইগ্রেশনের সুযোগ নেয়া সম্ভব।

অস্ট্রেলিয়ায় বিজনেস মাইগ্রেশনের জন্য প্রয়োজন হবে ন্যূনতম আট লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার। আর ইনভেস্টমেন্ট মাইগ্রেশনের জন্য অস্ট্রেলিয়ান ডলারে ২.২৫ মিলিয়ন এবং নিউজিল্যান্ডে ১.৫ মিলিয়ন ডলার নিজ কোম্পানি একাউন্টে ডিপোজিট রাখতে হবে।
তিনি বলেন, এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছে স্কিলড মাইগ্রেশন। ইনফরমেশন টেকনোলজি, একাউন্টিং ও ফিন্যান্স, বিজনেস ডেভলপমেন্ট, মার্কেটিং এবং সেলসে রয়েছে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ। তবে এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স, পিএইচডি বা এমবিএ সমমানের হতে হবে। এসবের পরেও আইইএলটিএস পরীক্ষায় নূন্যতম ব্যান্ড স্কোর ওঠাতে হবে ৬ দশমিক ৫। বয়স ২৫ এর নিচে বা ৪০ এর উপরে হলে স্কিলড মাইগ্রেশনের সুযোগ নেই। এই ভিসায় পরিবারকে নিয়ে বসবাসের সুযোগও পাওয়া যায় দ্রুত।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে বিজনেস ও ইনভেস্টমেন্ট মাইগ্রেশন হিসেবে বসবাসের করণীয় জানতে www.wwbmc.com এ ওয়েবসাইটে লগইন করুন অথবা advahmed@outlook.com এবং Raju.advocate2014@gmail.com মেইলে প্রশ্ন করে জেনে নিতে পারেন বিস্তারিত।

এছাড়া +60143300639 মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। ফেসবুকে কোম্পানির আইডি WorldwideMigrationConsultantsLtd এবং ব্যক্তিগত আইডি Sheikh Salahuddin Ahmed Raju তেও যোগাযোগ করতে পারেন।

বাংলাদেশে যোগযোগ করতে পারেন ০১৯৬৬০৪১৫৫৫, ০১৯৬৬০৪১৮৮৮ এবং ০১৯৭৭০১৪৭৭৮ নাম্বারে।
– See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/82798/index.html#sthash.YTEiRyjs.dpuf

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত