শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

‘‘দেগুইতো বলেছিলেন, অর্থ ছাড় না করলে খুন হতে হবে’’



47নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনে দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে ব্যাংক কর্মকর্তা রোমাল্ডো অগার্ডো সিনেটরদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানান, রিজাল ব্যাংকের জুপিটার শাখায় টাকা হস্তান্তরের সময় ঝুঁকির মধ্যে থাকার কথা জানিয়েছিলেন রিজাল ব্যাংকিং করপোরেশনের শাখা ব্যবস্থাপক সান্তোস-দিগুয়েতো।
অগার্ডো আরও বলেন, ৫ ফেব্রুয়ারি একটি ব্যাগে করে দিগুয়েতো গাড়িতে যে ২০ মিলিয়ন ডলার তোলা হয়েছিল সেগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি যাওয়া টাকা বলে তাঁর ধারণা।

তবে অগার্ডোর বক্তব্যের প্রতিবাদ করে দিগুয়েতো বলেন, তিনি তাঁর বক্তব্যের সময় এ বিষয়টি খোলাসা করবেন।
মায়া সান্তোস দিগুয়েতোর বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ফিলিপাইনের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট।
সিনেটর ভিসেন্তে সোতোর প্রশ্নের জবাবে অগার্ডো বলেন, জ্যেষ্ঠ কাস্টমার রিলেশনস অফিসার অ্যাঞ্জেলা তোরেস তাঁর সঙ্গে ছিলেন। ওই সময় দিগুয়েতো জুপিটার ব্যাংকের একটি কক্ষে ছিলেন, তাঁকে সে সময় খুব ভীত সন্ত্রস্ত দেখাচ্ছিল। তিনি বলেন, ‘‘দিগুয়েতো তখন তাঁদের বলেছিলেন, হয় আমাকে এ অর্থ ছাড় করতে হবে, না হয় আমি বা আমার বাবা খুন হব।’’ অগার্ডো বলেন,‘কারা তাঁকে মৃত্যুর হুমকি দিচ্ছে সে বিষয়ে আমি জিজ্ঞেস করিনি।’

এদিকে দিগুয়েতোর সঙ্গে বৈঠক করেছে দেশটির সিনেট কমিটি। আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রিজাল ব্যাংকিং করপোরেশনের শাখা ব্যবস্থাপক দিগুয়েতো তথ্য দেবেন বলে জানানোর পর এ বৈঠক হয়। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে বিষয়টি জড়িত বলে বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে সিনেটরদের ওই বৈঠকে ফিলিপাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনে দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে ব্যাংক কর্মকর্তা রোমাল্ডো অগার্ডো সিনেটরদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানান, রিজাল ব্যাংকের জুপিটার শাখায় টাকা হস্তান্তরের সময় ঝুঁকির মধ্যে থাকার কথা জানিয়েছিলেন রিজাল ব্যাংকিং করপোরেশনের শাখা ব্যবস্থাপক সান্তোস-দিগুয়েতো।
অগার্ডো আরও বলেন, ৫ ফেব্রুয়ারি একটি ব্যাগে করে দিগুয়েতো গাড়িতে যে ২০ মিলিয়ন ডলার তোলা হয়েছিল সেগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি যাওয়া টাকা বলে তাঁর ধারণা।

তবে অগার্ডোর বক্তব্যের প্রতিবাদ করে দিগুয়েতো বলেন, তিনি তাঁর বক্তব্যের সময় এ বিষয়টি খোলাসা করবেন।
মায়া সান্তোস দিগুয়েতোর বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ফিলিপাইনের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট।
সিনেটর ভিসেন্তে সোতোর প্রশ্নের জবাবে অগার্ডো বলেন, জ্যেষ্ঠ কাস্টমার রিলেশনস অফিসার অ্যাঞ্জেলা তোরেস তাঁর সঙ্গে ছিলেন। ওই সময় দিগুয়েতো জুপিটার ব্যাংকের একটি কক্ষে ছিলেন, তাঁকে সে সময় খুব ভীত সন্ত্রস্ত দেখাচ্ছিল। তিনি বলেন, ‘‘দিগুয়েতো তখন তাঁদের বলেছিলেন, হয় আমাকে এ অর্থ ছাড় করতে হবে, না হয় আমি বা আমার বাবা খুন হব।’’ অগার্ডো বলেন,‘কারা তাঁকে মৃত্যুর হুমকি দিচ্ছে সে বিষয়ে আমি জিজ্ঞেস করিনি।’

এদিকে দিগুয়েতোর সঙ্গে বৈঠক করেছে দেশটির সিনেট কমিটি। আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রিজাল ব্যাংকিং করপোরেশনের শাখা ব্যবস্থাপক দিগুয়েতো তথ্য দেবেন বলে জানানোর পর এ বৈঠক হয়। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে বিষয়টি জড়িত বলে বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে সিনেটরদের ওই বৈঠকে ফিলিপাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত