বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী সমাচার‏



47নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার নির্বাচন প্রক্রিয়াটি একটু জটিলই বলা চলে। অনেক ক্রিয়া প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে দেশ চালানোর জন্য একজন উপযুক্ত নেতাকে নিংড়ে বের করে আনা হয় । তবে সব সময় যে ভালো নেতৃত্ব উঠে আসে তা নয় । নিকট অতীতের দিকে তাকালে দেখা যায়, জর্জ বুশ টাইপের মারদাঙ্গা নেতৃত্বও এখানে প্রেসিডেন্টের পদ অলংকৃত করেছিল ।

ইদানিং ডোনান্ড ট্রাম্পের নাম বেশ জোরেশোরেই শোনা যাচ্ছে । ডোনান্ড ট্রাম্পের কথা-বার্তায় মনে হচ্ছে, জর্জ বুশ উনার কাছে নস্যি । দুগ্ধপোষ্য শিশু মাত্র । বহু আগে হিটলারের বিদায় হলেও হিটলারের প্রেতাত্নারা যুগে যুগে থেকে যায় । সময় ও সুযোগ মত মাথা চাড়া দিয়ে উঠে । তবে একটা কথা আছে , ”যত গর্জে তত বর্ষে না”।

ডোনান্ড ট্রাম্প যা কিছুই এখন বলছেন এমনও হতে পারে তা শুধু আমেরিকানদের ভোটকে প্রলুব্ধ করার জন্য । ভোট টানার জন্য অনেক ধরনের ফাকা বুলি আওড়ানো হয় কিন্ত ভোট জিতে আসার পর সেই ফাকা বুলিগুলি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দেখা যায় তা বাস্তব থেকে অনেক দূরে ।

আমেরিকার নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে আবার ফিরে আসা যাক । এখন রিপাবলিকান আর ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য দলীয় মনোনয়ন কে পাবেন তার প্রক্রিয়া চলছে ।

রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট পদের জন্য দলীয় মনোনয়ন পেতে হলে প্রার্থিকে ১২৩৭ টি ডেলিগেট পেতে হবে আর ডেমোক্র্যাটিক পার্টির দলীয় মনোনয়ন পেতে হলে ২৩৮৩ টি ডেলিগেট প্রয়োজন হবে ।

এই পর্যন্ত অনেক গুলি স্টেটে উভয় দলের caucus সম্পন্ন হয়ে গেছে । এর মধ্যে রিপাবলিকান পার্টির প্রাইমারীতে ট্রাম্প পেয়েছেন ৭৪২ টি ডেলিগেট আর তার নিকটতম ট্রেড ক্রুজ পেয়েছেন ৫১৬।

অপর দিকে, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারীতে হিলারী ক্লিনটন পেয়েছেন ১৩০৫ ডেলিগেট আর বার্নি স্যান্ডার্স পেয়েছেন ১০৮৬ । তবে এখানে ‘সুপারডেলিগেট’ বলে একটি ব্যাপার আছে । unpledged delegate রা যে কোনো প্রার্থিকে মুক্ত এবং স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার ক্ষমতা রাখে । এদেরকেই বলা হয় সুপারডিলিগেট ।

এই ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে , হিলারী সুপারডেলিগেট পেয়েছেন ৪৬৯ টি আর বার্নি স্যান্ডার্স পেয়েছেন মাত্র ৩১ টি । তবে এই সুপারডেলিগেটরা আবার switch করার অধিকারও রাখে । প্রাইমারীতে যে প্রার্থি জয় বেশি পাবেন সুপারডেলিগেটরা ইচ্ছে করলে সেই দিকে switch করতে পারেন ।

১৯ এপ্রিল হতে যাচ্ছে New York caucus । এটি ধরে নেওয়া যায় হিলারী ক্লিনটনের দিকেই যাবে ।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত