শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

জিয়া-তামিমকে ধরিয়ে দিলে ৪০ লাখ টাকা পুরস্কার



tamim_and_zi_20946_1470121184নিউজ ডেস্ক :: গুলশান ও শোলাকিয়ার হামলার ‘মূল হোতা’ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত মেজর সৈয়দ মো. জিয়াউল হক এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানডীয় নাগরিক তামিম চৌধুরীকে ধরিয়ে দিলে প্রত্যেকের জন্য ২০ লাখ টাকা করে ৪০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহিদুল হক এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, তামিম চৌধুরী এবং মেজর জিয়ার বিষয়ে তথ্য দিলে তথ্যদাতাকে পুরস্কার দেওয়া হবে। এ দু’জনের প্রত্যেকের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে। যারা তথ্য দেবে তাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে।

আইজিপি বলেন, গুলশান ও শোলাকিয়ায় হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও উদ্বুদ্ধকারী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরী এবং সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্তকৃত মেজর জিয়া। আগের বিভিন্ন মামলাতেও তারা আসামি ছিল।

হামলার সময় তামিম চৌধুরী দেশে ছিল বলেও জানান তিনি।

পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেন, ‘তামিম চৌধুরী গুলশান হামলার আগে দেশেই ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, হামলার পরে সে বিদেশে চলে যেতে পারে, যেহেতু জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) অর্থায়ন বিদেশ থেকেই হয়।’

মেজর জিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘জিয়া আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের (এবিটি) সমন্বয়কের কাজ করেছে। জিয়াও দেশের বাইরে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।’

পুলিশ জানায়, তামিমের পুরো নাম তামিম আহমেদ চৌধুরী। তার বাবা শফিক আহমেদ চৌধুরী, মা খালেদা শফি চৌধুরী। তাদের বাড়ি সিলেটের বিয়ানিবাজার থানার দোবাক ইউনিয়নের বড়গ্রাম সাদিমাপুরে। তামিমের বর্তমান পাসপোর্ট নম্বর : এএফ-২৮৩৭০৭৬ ও পুরনো পাসপোর্ট নম্বর এল-০৬৩৩৪৭৮।

তামিম চৌধুরীর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর : ১৯৮৬০০৯১২৪১০০১৩৪২। তার জন্ম ১৯৮৬ সালের ২৫ জুলাই। সর্বশেষ তিনি দুবাই থেকে ইত্তেহাত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসেন ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর।

অন্যদিকে মেজর জিয়ার পুরো নাম সৈয়দ মো. জিয়াউল হক। তার বাবা সৈয়দ মো. জিল্লুল হক। তাদের বাড়ি মৌলভীবাজারের মোস্তফাপুর গ্রামে। জিয়ার সর্বশেষ ব্যবহৃত ঠিকানা ছিল : পলাশ, ১২ তলা, মিরপুর, সেনানিবাস, ঢাকা। তার পাসপোর্ট নম্বর এক্স-০৬১৪৯২৩।

জিয়ার বাবার বর্তমান ঠিকানা : বাড়ি নম্বর ৫১২ (৩য় তলা), রোড নম্বর-০৯, বারিধারা, ডিওএইচএস, ঢাকা।

মেজর (বহিষ্কৃত) সৈয়দ মো. জিয়াউল হক ২০১১ সালের ডিসেম্বরে সেনা অভ্যুত্থানে প্ররোচনা চালিয়ে ব্যর্থ হন। এরপর থেকে পলাতক। তাকে সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত