রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শঙ্খে ধরা পড়লো ২১ কেজির ‘জাত কোরাল’



bg20160809220513নিউজ ডেস্ক :: ২১ কেজি ওজনের ‘জাত কোরাল’ ধরা পড়েছে শঙ্খের বুকে। কয়েকহাত বদল হয়ে মাছটি মঙ্গলবার বিক্রির জন্যে উঠেছে কাজীর দেউড়ি বাজারে। চকচকে মাছটি দেখে মাছবিক্রেতারা তো বটেই, মাছ কিনতে আসা লোকজনও একনজর দেখতে ভিড় করে। কেউ কেউ ঝটপট মোবাইল ফোনে তুলে নেন ছবিও।

আকর্ষণীয় এ মাছটির কল্যাণে মো. রুবেল সওদাগরের মাছের পসরার সামনে ভিড়টা লেগেছিল বেশ। বিকেল সাড়ে চারটায় দেখা গেল দোকানের বিক্রয়কর্মী আবদুল হামিদ সযত্নে মাছটি দেখাচ্ছেন সবাইকে। গর্বে বুক তার স্ফীত, মুখে অমলিন হাসি।

বললেন, দরিয়াপারের মানুষ ৩০০ কেজির বেশি ওজনের দৈত্যাকার কই কোরালের সঙ্গে পরিচিত হলেও ‘জাত কোরাল’র বিষয়টি ভিন্ন। কেউ কেউ একে ভেটকি কোরালও বলে থাকেন। অত্যন্ত সুস্বাদু এ মাছটি কই কোরালের মতো অত বেশি বড় হয় না। শঙ্খ নদীতে মাছটি ধরা পড়েছে। এরপর কয়েকহাত বদল হয়ে মাছটি আমাদের কাছে এসেছে।

তিনি জানান, কই কোরাল, জাত বা ভেটকি কোরালের বাইরে লাল কোরাল (রাঙা চইক্কা), গাং কই কোরাল, দাতিনা কোরাল, গেনগিনি কোরালসহ অনেক ধরনের কোরাল মাছ রয়েছে। এর মধ্যে জাত কোরালের স্বাদই সেরা।

বড় এবং তাজা মাছের জন্যে বিশেষ পরিচিতি রয়েছে কাজীর দেউড়ি বাজারের। এ বাজারেই ২২ বছর ধরে মাছের দোকানে বিক্রয়কর্মীর কাজ করছেন মো. ফিরোজ।

তিনি জানান, পাঁচ-সাত মণ ওজনের কই কোরালের কেজি যেখানে ৮০০ টাকায় বিক্রি হয় সেখানে জাত কোরালের দাম বেশি। ২১ কেজি ওজনের মাছটি বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ১ হাজার টাকা। কিনেছে এমএ আজিজ স্টেডিয়াম এলাকার রোদেলা বিকেলে রেস্টুরেন্ট।

মো. ফিরোজ বলেন, সাগরের পাশাপাশি নদীতে রকমারি কোরাল ধরা পড়ে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের সময় সাগর থেকে বড় মাছ নদীতে ঢুকে পড়ছে। যা জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। ইদানীং কোরালের চাষও হচ্ছে উপকূলীয় এলাকায়।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত