মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

মীর কাসেমের ফাঁসি কাশিমপুরে না কেরানীগঞ্জে



full_2032061483_1472635213নিউজ ডেস্ক:: মানবতাবিরোধী অপরাধী মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর হতে পারে গাজীপুরের কেন্দ্রীয় কারাগারে। রাষ্ট্রপতির কাছে তার প্রাণভিক্ষার আবেদন গ্রহণ, না নাকচ হবে, এই সিদ্ধান্তের ওপর তা নির্ভর করছে বলে কারাগার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

কারা অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানায়, মুক্তিযুদ্ধকালের মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর এই কেন্দ্রীয় নেতার ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন গতকাল মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতে খারিজ করে দেন। এর পরপরই ৬৩ বছর বয়সী কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকরের সব ধরনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকজন জল্লাদকে এ জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক লে. কর্নেল ইকবাল হাসান বলেন, মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কাশিমপুর, না কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার, এই দুটির মধ্যে কোথায় কার্যকর করা হবে, এখনো এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ফাঁসি কার্যকর করতে প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তবে মীর কাসেম আলীর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদনের ওপর নির্ভর করছে।

মীর কাসেম আলী কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ বন্দী আছেন। ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ হওয়ার রায় মীর কাসেম আলীকে পড়ে শোনানো হয়েছে। আজ বুধবার সকালে কাশিমপুর কারাগারে মীর কাসেমকে রায় পড়ে শোনায় কারা কর্তৃপক্ষ। কাশিমপুর কারাগার-২ এর কারা তত্ত্বাবধায়ক প্রশান্ত কুমার বণিক বলেন, গতকাল রাত পৌনে ১টার দিকে পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি কাশিমপুর কারাগারে আসে। আজ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মীর কাসেমকে রায় পড়ে শোনানো হয়।

রিভিউ খারিজের মধ্য দিয়ে মীর কাসেমের আইনি লড়াইয়ের শেষ ধাপের ইতি ঘটেছে। এখন তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। এই সুযোগ তিনি নেবেন কি না, তা তার আইনজীবী বা পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত জানানো হয়নি।

প্রাণভিক্ষা না চাইলে বা প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ হলে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত