শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

আর স্কুলে যাবে না রিশার ভাই-বোন



full_1218204996_1472678129নিউজ ডেস্ক : বড় বোন সুরাইয়া আক্তার রিশার মত চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রবি আর প্রথম শ্রেণির তিশাও পড়তো রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী। বোনের মৃত্যুর পর তারা স্কুলে যাচ্ছে না। কারণ, ভয় আর আতঙ্ক ঘিরে ধরেছে তাদের অভিভাবকদেরকে। এক সন্তানকে হারিয়ে অন্য দুই সন্তানকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাইছেন না বাবা মা।

পুরান ঢাকার সিদ্দিকবাজারের বাসায় দুই ভাইবোন রবি আর তিশাকে দেখা গেলো। এক সাংবাদিককে তিশা বলে, ‘আমরা আর স্কুলে যাব না। ওখানে কোন নিরাপত্তা নেই।’

গত ২৪ আগস্ট স্কুলে এসে আর বাড়ি ফেরা হয়নি রিশার। স্কুলের পাশের ফুটওভার ব্রিজে বখাটের ছুরিকাঘাতে আহত হওয়ার পর রবিবার হাসপাতালে প্রাণ হারায় রিশা। সেই থেকে এই হত্যার বিচার চেয়ে আন্দোলন চালিয়ে আসছে তার স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

সন্তান হারানোর বেদনায় একেবারেই ভেঙে পড়েছেন রিশার বাবা-মা। ছোট বোন সাত বছরের তিশা আর ১০ বছরের ভাই রবিও কেবল কাঁদছে। সেই দিন থেকেই আর স্কুলে আসছে না কেউ।

রিশার স্বজনরা জানান, সন্দেহভাজন খুনি ওবায়দুল প্রায়ই উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের পাশাপাশি রিশাকে উত্ত্যক্ত করতে তাদের বাড়ি পর্যন্ত চলে যেতো।

রিশা যখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তখন তার মা তানিয়া হোসেন রমনা মডেল থানায় ওবায়দুল খানকে একমাত্র অভিযুক্ত করে মামলা করেন। ঘটনার সাতদিন পর নীলফামারী থেকে তাকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‌্যাব।

এর আগে ওবায়দুলের বোন ও দুলাভাইকে আটক করে ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে ওবায়দুলের বোন আর দুলাইভাকে আটক নিয়ে ভাবছে না রিশার স্বজনরা। তার মামা কামাল উদ্দিন মুন্না বলেন, ‘আমরা ওদের দিয়ে কি করব। ওবায়দুল আর তার সাঙ্গপাঙ্গদেরকে ধরতে হবে।’

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত