মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতে আ.লীগের দু’পক্ষের হাতাহাতি



full_734879673_1478947742আওয়ামী লীগের নতুন সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর বেশ জোর গলায় দল থেকে সুবিধাবাদীদের বের করে দেয়ার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তবে ক্ষমতাসীন দলের ভিতরে ঢুকে যাওয়া সুবিধাবাদীদের সরানোর কাজটি যে সহজ হবে না তা বোঝা গেলো আজ।

চট্টগ্রামের ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ। ওবায়দুল কাদেরকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটায় চট্টগ্রাম জেলার দক্ষিণের নেতাকর্মীদের দুটি পক্ষ।

নতুন সাধারণ সম্পাদকসহ চট্টগ্রামের নেতাদের জন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে শনিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের দোতলায় এঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী ও পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রাশেদ মনোয়ারের অনুসারীদের মধ্যে এই বিতণ্ডার সময় ওবায়দুল কাদের দোতলার একটি কক্ষে ছিলেন।

পরে নিচতলায় নামার পরও দুই পক্ষ পরস্পরের উদ্দেশ্যে গালিগালাজ করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, সকাল সোয়া ১১টার দিকে সার্কিট হাউজের দ্বিতীয় তলায় সাধারণ সম্পাদককে ফুল দিতে জড়ো হয় দুই পক্ষ। এসময় তারা নিজেদের মধ্যে হাতাহাতিতে লিপ্ত হয়। এর মধ্যে কয়েকজনকে ঘুষি চালাতেও দেখা যায়।

ঘটনার সময় মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী ও রাশেদ মনোয়ার ছাড়াও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাদের সুজন এবং শ্রম বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন।

জানতে চাইলে মোতাহেরুল জানান, তেমন কোনো সমস্যা হয়নি, ফুল তো সবাই দিলাম। সামান্য ব্যাপার, পার্টির মধ্যে এগুলো হয় বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে পটিয়া উপজেলা সভাপতি রাশেদ বলেন, আমরা সাধারণ সম্পাদককে ফুল দিতে গিয়েছিলাম। ওই সময় কিছু সাইড টক হয়েছে।

এর আগে বেলা পৌনে ১২টার দিকে সার্কিট হাউজের নিচতলায় আসেন ওবায়দুল কাদের।

এসময় সেখানে জড়ো হওয়া নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। অনেক নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সেলফি তুলতেও দেখা যায়।

বেলা ১২টার দিকে সার্কিট হাউজে আসেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও দীপু মনি, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত