শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

স্কুলে যেতে দেরি হওয়ায় শিক্ষার্থী নির্যাতন



dhsশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করে পরিপত্র জারি করা হয়েছিল ২০১০ সালে। শিশুর মানসিক বিকাশের অন্তরায় বলেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ২০০৮ সালেও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করে পরিপত্র জারি করেছিল। কিন্তু দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কি সেই নিষেধাজ্ঞা মানছে? প্রায়ই শিক্ষকের দেওয়া শাস্তি ভোগ করে অনেক শিক্ষার্থীর আহত হওয়ার খবর আসে সংবাদমাধ্যমে।
তার প্রমান সয়ং শিক্ষামন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় গোলাপগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ এমসি একাডেমীতে। স্কুলে যেতে দেরি হওয়ায় প্রথম শ্রেণির কোমলমতি দুই শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।
নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের নাম তাওহিদা আকবর ও মারওয়ানুল ইসলাম । গতকাল মঙ্গলবার স্কুলে যেতে নির্ধারিত সময়ের থেকে একটু বিলম্ভ হওয়ার কারনে শিক্ষার্থীদ্ধয়কে এক ঘন্টা রোদে দাড় করিয়ে রাখেন সুভ্রত নামের এক শিক্ষক।
ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠে এমন কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতনের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে বৃহত্তর ফুলবাড়ী এলাকার সর্বস্তরের জনগণ এক সভা আহ্বান করেছেন। সভা থেকে আগামীকাল মানববন্ধন এর ডাক আসতে পারে বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসীর কয়েকজন।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মনসুর আহমদ চৌধুরীর সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে নাম্বার (০১৭১২৫০২৭৪৭) বন্ধ পাওয়া যায়।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত