শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জের জাদুকাঁটায় ২২ বোমা মেশিন পুড়িয়ে



সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::সুনামগঞ্জের সীমান্তনদী জাদুকাঁটায় লাউড়েরগড় বিজিবির বিওপির নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নদীর চরে ও সীমান্তের জিরো লাইন অতিক্রম করে অবৈধভাবে খননকৃত প্রায় দেড় শতাধিক মৃত্যুকূপ খ্যাত কোয়ারীতে ভ্রাম্যমান আদালত বৃহস্পতিবার দিনভর অভিযান চালিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, একটি পাথর খেকো দানব চক্র এসব কোয়ারীর পজিশন ও দখল বুঝিয়ে দিয়ে প্রতিটি কোয়ারী থেকে ১৫ হাজার টাকা করে প্রায় ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আগাম উৎকোচ নিয়ে প্রতিদিন সেইভ , ড্রেজার ও বোমা মেশিন লাগিয়ে নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে দিয়ে কোটি টাকার পাথর লুটে নেয়ার উৎসব চালিয়ে যাচ্ছিল।’
জেলা প্রশাসক শেখ মো. রফিকুল ইসলাম নদী দখল করে পাথর লুটের এ উৎসব বন্ধ করতে তিন জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটকে সরজমিনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিলে তাহিরপুর থানা পুলিশের সহযোগীতায় বৃহস্পতিবার দিনভর অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত নদীর চরে কোয়ারীগুলো বন্ধ করে দিয়ে ২২টি বোমা মেশিন ও সরঞ্জামাদী জব্দ করে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ফেলেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জন দাস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম মোর্শেদ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শোভন রাংসা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে তাহিরপুর থানার বাদাঘাট ও টেকেরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির সদস্য ছাড়াও স্থানীয় ভুমি অফিসের তহশীলদার এবং পরিবেশ কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্ল্যেখ যে, সাম্প্রতিক সময়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সীমান্বর্তী শাহ আরেফিন টিলা কেঁটে পাথর উক্তোলন করতে গিয়ে মাটি চাঁপায় ৬ শ্রমিক নিহত হলে কোয়রী মাণিক ও তার লোকজন লাশ গুম করে ফেলে। অনুরুপ পদ্ধতিতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাউড়েরগড় সীমান্তের সীমান্তনদী জাদুকাঁটায় দেড় শতাধিক মৃত্যুকুপ নামক কোয়অরী তৈরী করে গত এক মাস ধরে অবৈধ ভরাব প্রতিদিন বোমা, সেইভ ও ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে প্রতিদিন কোটি টাকার পাথর লুটে নিয়ে গেছে। ’

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত