সোমবার, ১২ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

নতুন ইসিতে আস্থা আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য দলের



নিউজ ডেস্ক:: সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। অন্য চার নির্বাচন কমিশনার হলেন- সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ কবিতা খানম, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম এবং ব্রি. জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।
এদিকে নতুন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিষয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে দলটির কয়েকজন শীর্ষ নেতা নতুন কমিশনের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সবাইকে কেউ খুশি করতে পারবে না। তবে রাষ্ট্রপতি যাদের বেছে নিয়েছেন, সব রাজনৈতিক দল তাদের গ্রহণ করবে বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ‘এই কমিশনের ওপর দায়িত্ব অনেক। সবাই ২০১৯ সালের জাতীয় নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে। আমার বিশ্বাস, কমিশন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে।’
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, রাষ্ট্রপতি একটা সুন্দর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইসি গঠন করেছেন। এই সিদ্ধান্তের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা রয়েছে। কমিশনের ওপর আস্থা রেখে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারবে কমিশন। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারবে কমিশন।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, যাদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই যোগ্য। তারা নিজ নিজ কর্মজীবনে চূড়ান্ত পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভালো কমিশনই হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার জন্য শুধু কমিশনই যথেষ্ট নয়। রাজনৈতিক দলেরও দায়িত্ব রয়েছে। তার আশা, রাজনৈতিক দলগুলো সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করবে।
জাতীয় সমাজান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি যে কমিশন গঠন করেছেন, তাতে তার সমর্থন রয়েছে। সবারই সমর্থন করা উচিত। কমিশনের কাছে প্রত্যাশার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকে। সংবিধানে দেওয়া এই কর্তৃত্ব প্রয়োগ করার সৎসাহস এই কমিশন রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘আমরা এই পর্যন্ত সিইসিসহ অন্য কমিশনারদের যে বৃত্তান্ত জেনেছি, তাতে মনে হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের একটা বলয় থেকে তাদের নেওয়া হয়েছে। আশা করি তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।’ জাসদের আরেক অংশের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, রাষ্ট্রপতি যে কমিশন গঠন করেছেন, তাতে তাদের আস্থা আছে। তার আশা, এই কমিশন বিশ্বস্ততার সঙ্গে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবে।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত