বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

খালেদাকে ছাড়া নির্বাচনে যাবো না: গয়েশ্বর



নিউজ ডেস্ক:: বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন,
‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাইনি। ভবিষ্যতেও যাবো না। আর খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই উঠে না।’
আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে “২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ পিলখানায় শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে” আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
গয়েশ্বর বলেন, ‘সুর তুলছেন আমাদেরকে জেলে নিবেন, নেত্রীর জেল হবে। এমন কোন অপরাধ খালেদা জিয়া করেননি যে তাকে জেল দিতে হবে। প্রতিহিংসার কারণে ও পরবর্তী নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ি হতে আপনি (প্রধানমন্ত্রী) এমন ভাবতে পারেন। তবে ভবিষ্যতে আপনার অধীনে আমরা নির্বাচনে যাবো না।’
তিনি বলেন, ২০১৪ সালেও আপনার অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যাইনি। প্রয়োজনে বিএনপি কেয়ামত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। তারপরও আপনার অধীনে নির্বাচনে যাবো না।
খালেদা জিয়া ছাড়া তো নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। সেটা অসম্ভব। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করতে হলে খালেদা জিয়াকে ছাড়া হবে না।
বিএনপির এই নীতি নির্ধারক বলেন, ‘ভাববেন না চুপচাপ বসে আছি কিছু করবো না। ধাক্কা দিলে পাল্টা ধাক্কা দেবার ক্ষমতা বিএনপির আছে। গরু ছাগল ছাড়া কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদেরকে আনতে পারেননি। ভবিষ্যতেও পারবেন না ‘
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে গয়েশ্বর বলেন, আপনার অবর্তমানে কারা ইসিকে সহায়তা করবে? যারা সুবিধাবশভোগী হবে না তাদেরকে বসান। জনগণের নির্বাচিত সরকার না আসলে অতীতের সব অপকর্মের জবাব দিনের অালোতে করা হবে।
তিনি বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের কথা বলে সেদিন যে ঘটনা ঘটেছে তার অন্তরালে কি ঘটেছে কারা ছিল এখনো উদঘাটন হয়নি। এই সরকারের পক্ষে এটা সম্ভবও না।
তিনি আরো বলেন, এই ঘটনায় সাবেক সেনা প্রধান মঈন জড়িত কি না, তার ব্যর্থতা রয়েছে কি না। পরিস্থিতি মোকাবেলায় যথাসময়ে সরকারের নির্দেশ গিয়েছিল কি-না তাও স্পষ্ট না।
নেতাকর্মীদেরকে উদ্দেশ্য করে গয়েশ্বর বলেন, বিডিআরের মতো সেনাবাহিনীকেও একইভাবে দুর্বল করা হয়েছে। সত্য বেশিদিন চাপা থাকবে না। যেদিন হতাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পারবেন। সেদিনই প্রকৃত বিচার হবে।
ভাবতে অবাক হবেন সেদিন কত বড় ষড়যন্ত্র হয়েছিল। ষড়যন্ত্র হয়েছিল বিদেশি শক্তির মদদে। কারা কারা জড়িত ছিল তাদের নামও বেরিয়ে আসবে। জনগণের সরকার ক্ষমতায় আসলে পিলখানার ঘটনার বিচার খোলা মাঠে হবে।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব) মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসময় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও এতে বক্তব্য রাখেন।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত