বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে হাজারো মানুষের ৩দিন ব্যাপী মিলন মেলার সমাপ্তী



বুলবুল আহমদ, নবীগঞ্জ প্রতিনিধি::মানুষ আল্লাহর সৃষ্ঠি জাতী, মানুষ আল্লাহর হাবিবের সাথি। আবার ঐ মানুষে জ্বালাইছে বাতি, কোরআনে প্রমাণ নিও। মানুষরে না হিংসা করিও………………….
৩৬০ অউলিয়ার পূর্ণভূমি আমাদের সিলেট। এখানে সাহিত রয়েছেন হযরত শাহ জালাল, হযরত শাহ পরান সহ বিভিন্ন গৌছ কুতুব আউলিয়ারা, এতো মোরা ধণ্য। সিলেট ভিবাগের বিভিন্ন ওলি- আউলিয়াদের মাজারে প্রতিবছরে মৃত দিবস উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল, শিরনি বিতরন, পীরর্মূূশিদি কাফেলা অনুষ্টিত হয়।
এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে শুক্রবার-শনিবার ৩দিন ব্যাপী নবীগঞ্জের পাশ্ববর্তী মৌলভীবাজার জেলার খলিলপুর ইউনিয়নের সাটিয়া গ্রামে মজ্জুব ওলিয়ে কামেল হযরত সৈয়দ মদেহ্রীছ উল্লাহ (রঃ) ওরস মোবারক আজ বাদ ফজর আখেরী মেনাজাত ও শিরনী বিরনের মাধ্যমে হাজারো ভক্তবৃন্দ আশেকানদের মিলন মেলার সমাপ্তী হয়েছে।
ঔ ওরস মোবারকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উট, মহিষ, গরু, ছাগল, মুরুগ সহ দানদক্ষিনা নিয়ে জিয়াতের মধ্যমে তাদের মনের আকুতি পূরণ করেন।ঐ ৩দিনের মেলা ঘুরে দেখা যায়, এবং এ প্রতিনিধির ক্যামেরায় ঐ ওরস মোবারকে এক পথিক গান পাগলের কন্ঠে একটি গানের অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো।
মানুষ আল্লাহর সৃষ্ঠি জাতী, মানুষ আল্লার হাবিবের সাথি। আবার মানুষে জ্বালাইছে বাতি কোরআনে প্রমাণ নিও। মানুষরে না হিংসা করিও। ওভাই মুল্লা পাইবায় আল্লাহ, ঈমান যে টিক রাখিও, মানুষরে না হিংসা করিও। পাও ঘুরা পাঞ্জাবী ফিন্দে, মাথায় লাম্বা পাগড়ী বাধেঁ, দিন কাটাইলায় কি আনন্দে হিংসা নিন্দা ভূলিও, মানুষরে না সিংসা করিও এমন ধরনের কয়েকটি গানে গানে এক গান পাগল তার দু’তারা দিয়ে আগত দর্শকদের মাতুহারা করে তুলে।
আগত বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার হাজারো নারী-পুরুষ তাদের ছেলে- মেয়ে ও আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে মেলা র্চকি, দুলনা, ঘোড়া চড়া সহ বিভিন্ন খেলনা সামগ্রীর হাটে ভীড় করে ক্রয় করতে দেখা যায়। এতে দেশবরাণ্য নামী ধামী কন্ঠশিল্পীরা পীর মুর্শিদি গান গেয়ে আশেকানদের মনের খোরাক দেন।
তবে, প্রতি বছরের ন্যায় এবার আগত বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপকালে তারা জানান, অন্য বছরের তুলনায় এবার তেমন বেচা- বিক্রি হচ্ছে না। আবার স্থানীয় ও দূর দূরান্তের সংগীত প্রেমি অনেকের সাথে আলপকালে তারা ক্ষোভ নিয়ে বলেন, বড় আশা করে এসেছিলাম ঐতিহ্যবাহী ঔ ওরস মোবারকে যে, জিয়ারত করে ২/৪টি গান শুনে বাড়ি যাব। কিন্তু এসে দেখি গানের জন্য রয়েছে ২প্যান্ডেল। আর এই ২টির মধ্যেই এক প্রবাসীর ছবি সম্ভলিত ব্যানার ও সকল শিল্পীদের মূখে একই ব্যক্তির নাম গানের গুণগান বিরহিন প্রমিক নাকি তিনি! এতে মনটা খারাপ হলে চলে আসতে বাধ্য হচ্ছি। প্রতিটা সেক্টরের এমন যদি হয় অবস্থা তাহলে কি পীর ও ওলি আউলিয়াদের ঐতিহ্য কি কোন দিন টিকে থাকবে?

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত