রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ব্যতিক্রম ভাবে নিজ বিদ্যালয়ে নানা বিনোদনের মাধ্যমে বনভোজনে আনন্দ উল্লাস



নবীগঞ্জ প্রতিনিধি::মেধা বিকাশ ঘটাতে হলে শুধু লেখা পড়া করলে হবে ন। লেখা পড়ার পাশাপাশি খেলাধূলা, গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তির পাশাপাশি শিক্ষা সফর বনভোজনেরও প্রয়োজন আছে। সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের মিঠাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতি বছরের মতো এবারোও বনভোজনে যাওয়ার কথা ছিল বিদ্যালয়ের শিক্ষিকাদের পক্ষ থেকে। কিন্তু আকাশের অবস্থা ও মহা সড়কে ঘন ঘন সড়ক দূর্ঘটনার ভয়ে শিক্ষার্থীদের সম্মতিক্রমেই গত বৃহস্পতিবার নিজ মিঠাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাঁদের উপর সাজিয়ে গুচিয়ে নতুন আঙ্গিকে একটি প্যান্ডেল তৈরী করে বনভোজনের আয়োজন করে মিঠাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্র/ছাত্রী বৃন্দ। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় শিক্ষিকা, ছাত্র/ছাত্র ও অভিভাবদের আগমন। সকাল ১০টার মধ্যে সকল শিক্ষার্থী বিদ্যালয় পাঙ্গনে এসে জড়ো হওয়া মাত্রই শুরু হয়ে যায় আনন্দ উল্লাস। পরে শিক্ষার্থীরা ৪,৫ ও ৬জন করে দল বেধেঁ বেধেঁ নাচ, গান, গল্প সহ নানা বিনোদন উপভোগ করে তারা। অপরদিকে তাদের শিক্ষাগুরু শিক্ষাকারা নাচ গানে ক্লান্ত হওয়া ছাত্র/ছাত্রী, অভিভাবক ও আতন্ত্রীত অতিথির জন্য রান্না বান্নার ব্যবস্থায় ব্যস্ত সময় পার করেন। নিজ বিদ্যালয় পাঙ্গনে বনভোজন কতটুকু আনন্দতায়ক তা দেখতে দুপুর ১টা ৩০মিনিটে নবীগঞ্জের একঝাঁক সাংবাদিক ঐ বিদ্যালয় পরির্দশন করেন। পরিদর্শন কালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নবীগঞ্জ সিনিয়র সাংবাদিক শাহ সুলতান আহমদ, দৈনিক লোকালয় বার্তার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি এম মুজিবুর রহমান, চ্যানেল এস এর নবীগঞ্জ প্রতিনিধি বুলবুল আহমদ, এনটিভির নবীগঞ্জ প্রতিনিধি মহিবুর রহমান চৌধুরী তছনু, দৈনিক বিবিয়ানা পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ক্বারী আব্দুল কাইয়ুম, দৈনিক হবিগঞ্জের জননী পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি মিজানুর রহমান সুহেল, আউশকান্দি- হীরাগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া, ৮নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শামীম আহমদ, তাহের চৌধুরী, রকিব আহমদ, রাজু আহমদ প্রমূখ। দুপুর ২টায় সময় রান্না বান্নার কাজ শেষ করে শিশু- কিশোর শিক্ষার্থীদের মনে আনন্দ দিতে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষিাকারা তাদের সন্তানের মতো করে শিক্ষার্থীদের মনে আনন্দ দিতে তারাও ছাত্র/ছাত্রীদের সঙ্গে নেচে গেয়ে, খেয়ে আনন্দ উল্লাস করেন। ২টা ৩০ মিনিটের সময় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের মধ্য ভোজনের আয়োজন করা হয়।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত