সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

জামালগঞ্জের ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরণে অনিয়ম, অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ



জামালগঞ্জ প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় ভীমখালী ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ড এর চাল বিতরনের প্রথম পর্যায়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত ১২ মার্চ থেকে দরিদ্র ও হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিডির চাল বিতরণের শুরুতেই ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ সহ ভোক্তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা আদায়ের গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে।
বুধবার চাল বিতরণ কালে সরজমিনে দেখা যায় ভীমখালী ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের মানিগাও এর মার্জিনা বেগম, হায়াতুন নেছা, মর্জিনা বেগম, মাহমুদপুরের বদরুল নেছা, খালেদা বেগম, তৈয়ূবুন নেছা, রফিকুন নেছা, আছমা বেগম, ছেলাইয়া গ্রামের জলিকা বেগম, মুসলিমা, ফেকুল মাহমুদপুরের সাইফা আক্তার, কাকলী বেগম, চান্দেনগরের আল কারিয়া, ঘাগটিয়ার বেদেনা, মনোয়ারা, সিরাজুন নেছা, মোছা: বেগম, সালেহা বেগম সহ সকল কার্ডধারীদেরকে ওজনে ৭-৮ কেজি করে চাল কম এবং অতিরিক্ত টাকা আদায় করেছে বলে তারা জানান।
নিয়ম অনুযায়ী চাল বিতরণের সময় কার্ডধারীদের ভিজিডি কার্ড ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও কোন ভোক্তার কার্ড ফেরত দেয়নি বলে জানান তারা। ওজনে চাল কম দেওয়া নিয়ে ভোক্তাদের সাথে চেয়ারম্যান দুলাল মিয়ার লোকজনের বাক বিতন্ডা করতে দেখা যায়। কার্ডধারীরা বলেন, আমাদের কাছ থেকে ৪৪০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে এবং ভিজিডি কার্ড আমাদেরকে ফেরত দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তহুর মিয়া, জিল্লুর রহমান ও বাবুল মিয়া বলেন, আমাদের ওয়ার্ডের চাল বিতরণ শুরু অথচ আমরা জানি না, আমাদের কাছে কার্ডধারীগণ জানান, ওজনে চাল কম দেওয়া হচ্ছে এবং অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে শুনে আমরা সরজমিনে গিয়ে এর সত্যতা পাই। ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির বলেন, চেয়ারম্যান গরিবদের চাল কম ও অতিরিক্ত টাকা আদায় করে গর্হিত কাজ করছে আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান দুলাল মিয়া বলেন, এক সাথে অনেক লোককে চাল দিতে গিয়ে হয়তো ওজনে কম-বেশী হতে পারে, অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, গোদাম থেকে চাল পরিষদ পর্যন্ত আনতে ভাড়া বাবত কিছু টাকা নেওয়া হচ্ছে।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত