শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

কমলগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতনামা নারীর মৃত্যু



কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এক অজ্ঞাতানা নামা নারী (৬৫)-র মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৪ মার্চ) ভোরে কোন একটি ট্রেনে কাটা পড়ে কমলগঞ্জের দুটি রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার এ ঘটনা জানেন না দাবি করলে সারাদিন লাশটি পড়ে থাকলেও সংবাদকর্মীদের ফোন পেয়ে শুক্রবার বিকালে রেল পুলিশ লাশ উদ্ধারের উদ্যোগ গ্রহন করে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ ও শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনের মাঝামাঝি জালালিয়া গ্রাম সংলগ্ন ৩০৩/৭/৯ কি:মি: রেলপথ এলাকায় ষাটোর্ধ্ব বয়সী অজ্ঞাতনামা এক নারী ভোরে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। সারা দিন লাশটি রেলপথ এলাকায় পড়ে থাকলেও সারা দিনে দুই দিকে ছয়টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করলেও কোন ট্রেনের চালক ঘটনাস্থলে নারীর মৃত দেহ দেখেননি। এমনকি শমশেরনগর স্টেশন ও ভানুগাছ স্টেশন মাস্টার এ ঘটনাটি জানেন না বলে দাবি করেন। ফলে সারাদিন লাশটি রেলপথের ধারে পড়ে থেকে গন্ধ বের হতে শুরু করে। গ্রামবাসী সূত্রে বিষয়টি জেনে কমলগঞ্জের সাংবাদকর্মীরা প্রথমে দুটি স্টেশনে ফোন করেও এ ঘটনার সত্যতা জানতে পারেননি। পরে শুক্রবার বিকাল তিনটায় শ্রীমঙ্গলস্থ রেলওয়ে থানায় ফোন করে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে রেল পুলিশ অনুসন্ধান করে ট্রেনে কাটা নারী মারা যাবার সত্যতা জানিয়ে লাশটি উদ্ধারের উদ্যোগ গ্রহন করেন।
শমশেরনগর স্টেশন মাস্টার কবির আহমদ বলেন, রেলপথের তদারকি করে রেলওয়ের গণপূর্ত বিভাগের গ্যাংম্যানরা। তারা কেউ কিছু জানায়নি বলে তিনি কোন খবরই জানেন না। অন্যদিকে ভানুগাছ স্টেশন মাস্টার শাহাবুদ্দীন ফকিরকে ফোন করেও কথা বলা যায়নি।
তবে রেলওয়ের গণপূর্ত বিভাগের গ্যাংম্যান সদস্য কামাল মিয়া বলেন, তিনি বিভাগীয় কাজে সিলেট ছিলেন। তবে তার এক সহকর্মীর মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা জেনেছেন। শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে পুলিশ থানার ওসি মজিবুর রহমান ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাংবাদিকরা না জানালে তিনি এ খবর পেতেনই না। এখন লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত