সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সফরের পূর্বেই সম্ভাব্য চুক্তি প্রকাশের দাবি



আগামী ৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর চারদিনের ভারত সফরে যেসকল চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেসকল চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক দেশের মানুষের কাছে প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

৪ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পক্ষ থেকে এ দাবি জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি আশা করে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পূর্বেই সফরকালে দুই দেশের মধ্যে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তার সবকটি দেশের জনগণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করবে। জনগণই এ দেশের মালিক।

এসব চুক্তির বিষয়ে দেশের মানুষের জানার ও মতামত প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে। জনগণকে পাশ কাটিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রবিরোধী কোন চুক্তি করা হলে তা দেশের জনগণ মেনে নেবে না।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরে যে ২২টি চুক্তি হয়েছিলো তাতে বাংলাদেশ কি পেয়েছে তা দেশের জনগণের কাছে এখনো স্পষ্ট নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের দাবি ‘ভারতের সাথে বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে উষ্ণতম সম্পর্ক বিদ্যমান।’ তাহলে কেন ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে হবে। বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে অনেকগুলি সমস্যা এখনো অমিমাংসীত। সরকারের উচিৎ তিস্তাসহ ৫৪ টি অভিন্ন নদির ন্যায্য পানির হিস্যা, সিমান্ত হত্যা ইত্যাদি বিষয়ে চুক্তি করা।

ভারত বিশ্বের এক নম্বর অস্ত্র আমদানীকারক দেশ উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, যেখানে ভারতকেই অস্ত্র আমদানী করতে হয় সেখানে আমরা কেন ভারত থেকে অস্ত্র আমদানী করবো? চীনের সাশ্রয়ী ও উন্নত অস্ত্রের বদলে আমরা কেন ভারতের মানহীন অস্ত্র আমদানী করবো?

বিএনপি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ককে আরো দৃঢ়, বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক আস্থাশীল দেখতে চায় জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, পারস্পরিক সমতা, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়াই আমাদের নীতি। আমরা কখনোই বাংলাদেশের মাটিতে ভারত বিরোধী কর্মকান্ডকে জায়গা দেব না। আমরা একই সঙ্গে প্রত্যাশা করি ভারতও বাংলাদেশের অখন্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমমত্বের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থাকবে।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত