মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সিলেটের ছয়জন সাধারণ ক্ষমায় মুক্ত



নিজস্ব প্রতিবেদক ::পৃথক হত্যামামলায় যাবতজীবন সাজাপ্রাপ্ত ছয় আসামি দীর্ঘদিন ধরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজা ভোগ করছিলেন। তাদরে কেউ জেলে রয়েছেন ২১ বছর, আবার কেউ ২০ বছর এবং ১৭ বছর জেল খেটেছেন । এই ছয় কয়েদিকে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে সাজা মওকুফ করে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে সরকার।
সরকারের দেয়া এই বিশেষ সুযোগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় তাঁরা সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। ফিরেন স্বাভাবিক জীবনে আর পরিবারপরিজনের মাঝে। মুক্তি পাওয়া এই ছয়জন পরে চলে যান তাদের স্বজনের সাথে জন্মভিটায়।
গতকাল বুধবার দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হন গোপাল মুন্ডা (৭০), কাজল মিয়া (৫৪), আশিক আলী (৬৫), আব্দুল আলীম (৬৬), রাসু মাংকী মুন্ডা (৬১) ও বদরুল আলম খান (৪৫)। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকের ভূগলী গ্রামের তহুর আলীর পুত্র আশিক আলী (কয়েদি নং-৯১৫৩/এ), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের ধুপারহাটের ছাওমনির পুত্র কাজল মিয়া (কয়েদি নং-৮৬৮২/এ), হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরের হালুয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস ছাত্তারের পুত্র আব্দুল আলীম (কয়েদি নং-৭৩৯৪/এ),
হবিগঞ্জের মাধবপুরের সুরমা চা-বাগানের রনিয়া মাংকী মুন্ডার পুত্র রাসু মাংকী মুন্ডা (কয়েদি নং- ৭০১২/এ), হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরের সুরমা চা-বাগানের আরজুন মাংকী মুন্ডার পুত্র গোপাল মাংকী মুন্ডা (কয়েদি নং-৭৭৫০/এ) এবং হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার গণিপুর গ্রামের আব্দুল কাদের খানের পুত্র বদরুল আলম খান (কয়েদি নং-৯২১২/এ)। এর মধ্যে গোপাল মুন্ডা ২০ বছর, কাজল মিয়া ২১ বছর এবং আশিক আলী ১৭ বছর ৫ মাস সাজা ভোগ করেন।
সুরক্ষা সেবা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে অন্য কোনো কারণে আটক রাখা আবশ্যকতা না থাকায় তাদেরকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। গতকালই সিলেট কারাগারে চিঠির কপি পাঠানো হয়।
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার ছগির মিয়া তাঁদরে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত