বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-১৭ আসনএরশাদ চাইলেও, আবুল কালাম আশাবাদি



নিউজ ডেস্ক::দশম নির্বাচনের আদলেই, একাদশ নির্বাচনের মত চাইলেও সাধারণ ভোটারা তাদের ভোটের অধিকার যেন প্রয়োগ করতে পারে তার নিশ্চয়তা নিয়ে ভাবছে। এদিকে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগও সকল দলের অংশগ্রহণে একটি সুন্দর নির্বাচন জাতিকে দেওয়ার আশা ইতোমধ্যে ব্যক্ত করেছেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনের এখনো প্রায় দেড় বছর বাকি থাকলেও রাজনৈতিক প্রধান দলগুলো নিজেদের প্রার্থীদের প্রচারণায় মাঠে নামিয়েছেন।

তবে মাঠ পরিক্রমায় বদলে যাচ্ছে আসন ভিত্তিক চিত্র। যেমন গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, নির্বাচনী হিসেব নিকাশে কিছুটা রদবদল দেখা গেছে ঢাকা-১৭ আসনে। মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির ছেড়ে অলৌকিকভাবে ছেড়ে দেওয়া আসনে নৌকার মাঝি না এসে আসেন টেলিভিশন প্রার্থী। অদৃশ্যভাবে যেন মহাজোটের সাপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)।

দশম নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী নেই। জোটের অন্যতম মিত্র জাতীয় পার্টিকে আসনটি ছেড়ে দিলেও প্রার্থী দেয়নি জাতীয় পার্টি। ২০১৪ সালে এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (জেপি) আব্দুল লতিফ মল্লিকের বাইসাইকেল, বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) এস এম আবুল কালাম আজাদের টেলিভিশন এবং ফুটবল মার্কা নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম এ হান্নান মৃধা।

জানা গেছে, এ আসনে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী না থাকায় নৌকার ভোট পড়েছিল বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) প্রার্থীর পক্ষে। দলের পক্ষ থেকেই এমন নির্দেশনা ছিল বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বিডি২৪লাইভ কে জানান, বিএনএফের প্রতি এ আসনে জনগণের স্বতঃর্স্ফূত সমর্থন ছিল, এবং তাদের ভোটেই আমি নির্বাচিত হয়েছি। আগামী একাদশ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদও ছাড় না দিয়ে এ আসন থেকে নির্বাচনের চেষ্টা করবে। ২০০৮ সালে এ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী সম্প্রতি প্রয়াত হান্নান শাহ’কে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে রাজনৈতিকভাবে বিএনপির তেমন কোনো কর্মসূচি স্থানীয় জনগণ না দেখলেও, আগামীতে এ আসনে বিএনপি নেতা তাবিথ আউয়ালকে ধানের শীর্ষের প্রার্থী হিসেবে চায় বিএনপি সমর্থকেরা।

স্থানীয় বাসিন্দা আলি হোসেন বিডি২৪লাইভ কে বলেন, দেশের উন্নায়ন হলেও এ এলাকার উন্নায়ন তেমন হয়নি তবে বর্তমান এমপি সাহেব খুব ভালো মানুষ তিনি মানুষের সাথে খুব সহজে মিশতে পারেন।

ব্যবসাহী নুরু মিয়া বলেন আমি ব্যবসাহী মানুষ ব্যবসা ভালো ভাবে করতে পাড়লেই হলো। তিনি বলেন, বর্তমানে ব্যবসা ভলোই হচ্ছে কোন জ্বামেলা নাই।তবে রাস্তা আরও উন্নত হওয়া উচিত ছিলো তবে যে টুকু হচ্ছে ভালোই খারাব না।

অবস্থান : ঢাকা-১৭ আসনটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৫,১৮, ১৯ ও ২০ এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে গঠিত। ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১১৯টি। যেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮৯ হাজার ৮৭০।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত