সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ফেসবুকে প্রেম, অতঃপর যা হলো ২ সন্তানের জননীর



নিউজ ডেস্ক::চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কলকাতার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছিল অভিষেক। একা একটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে থাকত সে। মাস ছয়েক আগে ফেসবুকে তার সঙ্গে পরিচয় হয় এক বিবাহিতা তরুণীর। পরিচয় থেকে ঘনিষ্ঠতা হয় দুইজনের। এরপর তরুণীকে বেশ কয়েকবার নিজের ফ্ল্যাটে আসতে বলেছিল অভিষেক। কিন্তু রাজি হয়নি সে। শেষমেষ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে সহবাস করে অভিষেক।

বান্ধবীকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ করার অভিযোগে ইতিমধ্যে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকৃতের নাম অভিষেক সিংহ রায় (২৬)। তার বাড়ি বর্ধমানের কালনায়। গত রোববার রাতে ভারতের বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ অভিষেককে শান্তিনগরে তার ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কলকাতার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছিল অভিষেক। সে বিধাননগরের শান্তিনগর এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে থাকত। মাস ছয়েক আগে ফেসবুকে তার সঙ্গে পরিচয় হয় বেহালার ২৪ বছরের ওই তরুণীর। তরুণী বিবাহিতা। তার দুই সন্তান রয়েছে। ওই তরুণীকে বেশ কয়েকবার নিজের ফ্ল্যাটে আসতে বলেছিল অভিষেক। জানাজানির ভয়ে তরুণী যাননি।

বিধাননগর পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘২৫ জুন ওই তরুণীকে তার ফ্ল্যাটে ডেকেছিল অভিযুক্ত। তিনি সেখানে যান এবং সারা রাত থাকেন।’ তরুণী অভিযোগ করেছেন যে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে সহবাস করে অভিষেক। পুলিশের কাছে ওই তরুণীর অভিযোগ, ২৬ জুন সকালে অভিষেক তাকে বিয়ে করবে না বলে জানালে দুইজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। তার পরেই তিনি অভিষেকের ফ্ল্যাট ছেড়ে বেহালায় শ্বশুরবাড়ি ফিরে আসেন।

ওই ঘটনার কথা সম্প্রতি জানতে পারেন ওই তরুণীর স্বামী। তিনি স্ত্রীকে জানিয়ে দেন যে, তিনি সম্পর্ক রাখতে চান না। এরপর রোববার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী।

সোমবার অভিযুক্ত অভিষেককে বিধাননগর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে তিনদিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠান।

এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘ওই তরুণী তার ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন যে, তাকে মিষ্টির সঙ্গে মাদক মিশিয়ে খাইয়েছিল অভিষেক। অচেতন অবস্থায় তাকে ধর্ষণ করা হয়। যদিও লিখিত অভিযোগে তেমন দাবি তিনি করেননি।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত