মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

কমেছে মোটা চালের দাম, প্রভাব পড়েনি সরু চালে



নিউজ ডেস্ক ::
পাইকারি বাজারের পর খুচরাতেও চালের দাম কমতে শুরু করেছে। মোটা চালের দাম কমেছে সবচেয়ে বেশি। চারদিন আগে ৫০ থেকে ৫২ টাকা কেজির নিচে কোনো মোটা চাল পাওয়া না গেলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায়।

কিন্তু সরু চাল নাজিরশাইল ও মিনিকেটের দাম কমেছে সামান্যই। ইতোমধ্যে মোকামে মিনিকেট চালের দাম কমেছে কেজিতে ২ টাকা। যার প্রভাব খুচরা বাজারে এখনো পড়েনি।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোকামে অর্ডার দেওয়া নতুন চাল এখনো খুচরা বাজারে সেভাবে না আসায় খুচরা ব্যবসায়ীরা তাদের আগে বেশি দামে কেনা চাল বিক্রি করছেন। ফলে মোকামে ও পাইকারি বাজারে চালের দাম কমার উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি খুচরা বাজারে। তবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খুচরা বাজারে সব ধরনের চালে কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা কমে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

গত বোরো মৌসুমে অকাল বন্যায় হাওর অঞ্চলে বোরো ফসল ক্ষতির পর থেকেই লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকে চালের দাম। সরকারের বিপণন সংস্থা টিসিবির হিসেবেই গত এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে ১৮ দশমিক  ৯৫ শতাংশ থেকে ২০ দশমিক ৪১ শতাংশ। একটি সিন্ডিকেট কারসাজি করে চালের দাম বাড়ায় বলে অভিযোগ ওঠে।

গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করেন সরকারের খাদ্য, বাণিজ্য ও কৃষিমন্ত্রী। বৈঠকের পর চালের দাম কমানোর আশ্বাস দেন ব্যবসায়ীরা। তবে এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী চাল আমদানিতে পাটের পরিবর্তে প্লাস্টিকের বস্তার ব্যবহার মেনে নেওয়া হয়। এরপর থেকে চালের দাম কমতে শুরু করেছে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতিকেজি মোটা ইরি/স্বর্ণা ৪৮ টাকা, পাইজাম/লতা ৫২ থেকে ৫৪ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৩ টাকা ও নাজিরশাইল ৬৭ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হয়। যা চারদিনের ব্যবধানে কেজিতে চালভেদে ১ থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত কম।

সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছেন, চালের বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। নভেম্বরের শেষ ও ডিসেম্বরের প্রথমে নতুন ফসল উঠবে। কাজেই চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত