মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশী একটি ভুয়া রাজনৈতিক শরণার্থী চক্রের পতন



এ. কে. মামুন : ২০শে মার্চ তারিখে ১৮ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে প্যারিস-১৮, লা-কর্নোভ এবং ব্লঁ-মেসনীল (সেইন-সাঁ-দ্যোনি) থেকে গ্রেফতার করা হয়। ৯ মাস তদন্ত করে এবং ৪৫,০০০ ফোন কলে আড়ি পেতে এই সংগঠনের প্রধান সদস্যদেরকে সনাক্ত ‌করা হয়। Roissy বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্মকর্তারা জাল স্ট্যাম্প এবং বিভিন্ন বাংলাদেশী প্রশাসনের সরকারী কাগজ সম্বলিত একটি পার্সেল আটকের পর হইতে তদন্তের সূত্রপাত। তদন্তকারীরা ১,৪০০ আর্থিক ষ্ট্যাম্প, ২,০০০ ভুয়া সীল এবং বাংলাদেশের ৫০টি জাল পরিচয়পত্র সহ প্রায় ৫,০০০ ডকুমেন্টস উদ্ধার করে। প্রতিটি ডকুমেন্ট ৩০ থেকে ৫০ ইউরোতে বিক্রয় করা হতো। জাল কাগজ প্রস্তুতকারকগণ একটি গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ মৃত্যুদন্ডের একটি জাল রায়ের জন্য ৫০০ ইউরো পর্যন্ত গ্রহণ করতো। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ফ্রান্সের আদালতের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাক্তন দুইজন অনুবাদকও রয়েছে।

সংবাদপত্রে যা আসেনিঃ পুলিশ কিছু কাগজধারী ব্যাক্তিসহ উপরোল্লিখিত সংখ্য‌‌‌ক লো‌কজনের সাথে আরো অনেককেই গ্রেফতার করে এবং প্রচুর পরিমাণ কাগজপত্র, ফর্ম, ষ্ট্যাম্প, সীল, কালি, কার্ড, জন্ম সনদপত্র, টাইপরাইটার, কম্পিউটার ইত্যাদি বাজেয়াপ্ত করে।
পরবর্তিতে যা ঘটলোঃ অনেককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেয়া হয়, কাউকে নিয়মিত হাজিরা দিতে বলা হয় এবং সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদন্ড সহ অধিকাংশের বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা হয়। ফ্রান্সের ১০ বছর মেয়াদী কার্ড থাকা সত্ত্বেও কাউকে দন্ডভোগের পর ফ্রান্সের জেলখানা হইতে সরাসরি বাংলাদেশে ফেরৎ পাঠানো হয়।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত