সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জামায়াত নেতা সুবহানসহ ৩ জনের আপিল শুনানি



নিউজ ডেস্ক::মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুস সুবহান, সহকারী সেকেটারী জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের আপিল শুনানির দিন পিছিয়েছে। আগামী ২১ নভেম্বর আপিল শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সকালে আসামি পক্ষ ও রাষ্ট্র পক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ মামলায় আদালতে আসামীপক্ষ ৮ সপ্তাহ ও রাষ্ট্রপক্ষ চার সপ্তাহের সময় আবেদন করেন। শুনানী করে আদালত ৬ সপ্তাহ সময় দেন।

আদালতে সুবহান ও আজাহারের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। সাথে ছিলেন মোহাম্মাদ শিশির মনির। কায়সারের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

২০১৫ সালের ১৮ মার্চ সুবহানের খালাস চেয়ে আপিল আবেদন দায়ের করা হয়। এর আগে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম ফাঁসির দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিল দায়ের করেন।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটিএম আজহারকে ফাঁসির দণ্ড দেন।

২০১২ সালের ২২ আগস্ট মগবাজারের বাসা থেকে এটিএম আজহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

অপরদিকে ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডাপ্রাপ্ত জাতীয় পার্টির নেতা ও এরশাদ আমলের কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার বেকসুর খালাসের আরজি জানিয়ে আপিল দায়ের করেন। আপিল আবেদনে ফাঁসির দণ্ড বাতিলের পক্ষে মোট ৫৬টি কারণ দেখানো হয়।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নিজের নামে ‘কায়সার বাহিনী’গঠন করে যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের দায়ে ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর কায়সারকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি শাহীনুর ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত