রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

প্রবাসী বন্ধুর নির্দেশেই বনানীর ব্যবসায়ী খুন



নিউজ ডেস্ক::প্রবাসী সন্ত্রাসী বন্ধুর নির্দেশেই রাজধানীর বনানীতে জনশক্তি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক সিদ্দিক হোসেন মুন্সীকে (৫৫) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত হেলাল উদ্দিনকে (৩৮) প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে এ কথা জানান, পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মো: মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, হেলাল উদ্দিনই এ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রও সরবরাহ করেছেন তিনি।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১২ টার দিকে মিন্টো রোডের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

এর আগে, মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুলশানের কালাচাঁদপুর এলাকা থেকে ৫টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ হেলাল উদ্দিনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সাত দিন আগে প্রবাসী বন্ধুর কাছ থেকে নির্দেশনা পান হেলাল উদ্দিন। ব্যবসায়ী সিদ্দিক হত্যাকাণ্ডে অপারেশনাল কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

প্রবাসী সন্ত্রাসী বন্ধুর নাম তদন্তের স্বার্থে কৌশলগত কারণে প্রকাশ করা যাচ্ছে না উল্লেখ করে সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান বলেন, তবে তিনি ছাত্রদলের একজন নেতা। গ্রেফতারকৃত হেলালও ছাত্রদলের মধ্যম সারির নেতা বলে জানান তিনি।

মনিরুল বলেন, গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হেলাল পুলিশকে জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী সিদ্দিক হোসেন হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন, তবে সে সরাসরি অংশ নেননি। এ হত্যাকাণ্ডে ৬টি অস্ত্র ও ২৫ থেকে ২৬ রাউন্ড গুলি ব্যবহার করেছেন হত্যাকারীরা। হত্যার পর অস্ত্রগুলো হেলালের কাছে জমা ছিল। এর মধ্যে ব্যবহৃত ৫টি অস্ত্র জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ১৪ নভেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে বনানী বি ব্লকের ৪ নম্বর রোডের ১১৩ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত জনশক্তি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স এস মুন্সী ওভারসীজে’র মালিক মো: সিদ্দিক হোসেন মুন্সীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহতরা হলেন- মোস্তাক হোসেন, মোখলেছুর রহমান ও মিরাজ পারভেজ।

ওই ঘটনায় বনানী থানায় দায়ের করা হত্যা মামলটির তদন্ত করছে ডিবি পুলিশ।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত