বৃহস্পতিবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

এমপি কেয়া চৌধুরীর ওপর হামলা : বাহুবলের ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার



হবিগঞ্জ সংবাদদাতা ::হবিগঞ্জের বাহুবলে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর ওপর হামলার ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুইজন হলেন, বাহুবল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া ও উপজেলা পরিষদ সদস্য আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ আলম জানান, গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে হবিগঞ্জের পুলিশ ঢাকার পুলিশের সহযোগিতায় ঢাকার কদমতলী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। গত ১০ নভেম্বর বাহুবল উপজেলার মিরপুরে কেয়া চৌধুরীর একটি অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর গত ১৮ নভেম্বর বাহুবল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা মো. তারা মিয়া ও হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা আলাউর রহমান সাহেদসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৪/১৫ জনের বিরুদ্ধে বাহুবল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় নারী ইউপি সদস্য পারভীন আক্তার, সাবেক নারী ইউপি সদস্য রাহিলা আক্তারসহ কয়েকজন আহত হন।
গাড়িচালক জসিম উদ্দিনকে আগেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বানিয়াচংয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা দায়ের, গ্রেপ্তার ৩ বানিয়াচংয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা দায়ের, গ্রেপ্তার ৩
এড.আব্দুল মজিদ খান ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় বিজয়ী সমর্থকদের বিজয় উল্লাসে পটকা ফুটানোকে কেন্দ্র করে ঘন্টব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বানিয়াচং থানার এসআই সাইফুল ইসলাম মোল্লা বাদি হয়ে ৫৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৪০০/৫০০ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেন।
সংঘর্ষের ঘটনার পরপরই ৩ জনকে আটক বানিয়াচং থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলেন, দক্ষিণ যাত্রাপাশার মহল্লার ইউনুছ উল্লার পুত্র আবুল হোসেন, মৃত আইয়ুব উল্লাহর পুত্র মইন উদ্দিন ও জাতুকর্ত পাড়ার কুতুব উল্লাহর পুত্র টেনু মিয়া। পুলিশ গতকালই তাদেরকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেছেন।
মামলার আইও এসআই নাজমুল ইসলাম জানিয়েছেন, অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। সংঘর্ষের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
এদিকে গ্যানিংগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি রেজাউল মোহিত খান জানান, বাজারের মধ্যে সৃষ্ট ঘটনায় কারা কারা জড়িত তা খোঁজে বের করতে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হাতে পেলেই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ৪ ডিসেম্বর ফুটবল খেলায় বিজয়ী দলের সমর্থকদের পটকা ফুটানো নিয়ে যাত্রাপাশা ও জাতুকর্ত পাড়ার লোকদের মধ্যে গ্যানিংগঞ্জ বাজারে ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত হয় অর্ধশতাধিক।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত