শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিককে মামলার হুমকি প্রদানকারী কে এই ফুয়াদ?



 

ডেস্ক প্রতিবেদন: সংবাদ প্রচারের জের ধরে ধারাবহিকভাবে ওই সংবাদ প্রতিনিধিকে মামলার হুমকী প্রদান করছেন ফুয়াদ আলম। ফুয়াদ উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের আব্দুল কাইয়ুম মায়া মিয়ার ছেলে এবং বর্তমানে পৌর শহরের আউটার সংলগ্ন একটি বাসায় ভাড়া বাসিন্দা। কোন আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও দিব্যি চলাফেরা করছে কে এই ফুয়াদ?

জানা যায়, গত ১৭ ও ১৮ মে ‘কুলাউড়ায় প্রতিপক্ষকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা যুবলীগ নেতার’ এমন শিরোনামে দৈনিক যুগভেরী পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিলেটভিউ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এ সংবাদ প্রকাশ করেন কুলাউড়ায় কর্মরত সাংবাদিক শাকির আহমদ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) আবু ইউসুফ বরাবর উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমদের বিরুদ্ধে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ব্যাপারে অভিযোগ করেন একই গ্রামের কুরফান আলী। এরই জের ধরে একই ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ আলম চৌধুরী প্রকাশ্যে সাংবাদিক শাকিরকে মামলার হুমকী দেন। বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেয়ার পরও ফুয়াদ পরবর্তীতে সাংবাদিক শাকিরের আত্মীয়-স্বজন, পরিচিত ব্যক্তিদেরকে একই কায়দায় মামলার হুমকী দিতে থাকে।

এমনকি নারী নির্যাতনের মামলায় সাংবাদিক শাকিরকে জড়ানো হবে বলে ফুয়াদ হুমকী দিচ্ছেন। এছাড়াও ওই এলাকার বাসিন্দা পূর্বপশ্চিমবিডিডটনিউজ এর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক এম.এ. কাইয়ুমকেও মামলায় জড়ানোর পাঁয়তারা করছে এই ফুয়াদ। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও বর্তমানে আতঙ্কে সময় কাটাচ্ছেন সাংবাদিক শাকির।

এবিষয়ে সাংবাদিক শাকির আহমদ বলেন, সমাজের অসঙ্গতি, অনাচার তুলে ধরার সময় অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিপক্ষে সংবাদ পরিবেশণ হয়। স্বাভাবিকভাবেই তারা তাদের রক্তচক্ষু প্রদর্শণ করার চেষ্টা করে। আমরা এতে অব্যস্থ হয়ে গেছি। কিন্তু যে সংবাদকে কেন্দ্র করে ফুয়াদ আলম চৌধুরী আমাকে মামলার বিষয়ে হুমকী দিয়েছেন তাতে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই।

কে এই ফুয়াদ আলম ?

উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের গজভাগ গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম মায়া মিয়ার ছেলে ফুয়াদ আলম নানা অপকর্মের কারণে নিজ এলাকায় পরিচিত। বিগত কয়েক বছর আগে মসজিদের মাইক চুরির অপরাধে স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসম্মুখে তার শাস্তি হয়।

এরপর নিজের বিভিন্ন অপকর্ম ঢাকতে তিনি পৌর শহরের আউটারে ভাড়া বাসায় থাকেন। শহরের সূর্য উঠার সাথে সাথে ফুয়াদ কুলাউড়া থানার ভিতরে আসা যাওয়া শুরু করেন। কুলাউড়ায় সে থানার সোর্স হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন নিরীহ মানুষকে মামলায় জড়ানোর অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

সাংবাদিকের উপর মামলা করার বিষয়টি স্বীকার করে ফুয়াদ আলম বলেন, নিউজ প্রকাশের প্রথম দিন আমি মামলা করার জন্য সোহেল আহমদকে বলি।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত