রবিবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

দেশের ২০টি উপজেলায় চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন



রুপম আচার্য্য, শ্রীমঙ্গল রিপোর্টার:
দেশের ২০টি উপজেলায় রবিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহন। চা শ্রমিকরা আগামী তিন বছরের জন্য তাদের পঞ্চায়েত কমিটি, প্রাথমিক কার্যকরী পরিষদ, ভ্যালী কার্যকরী পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ গঠনের জন্য আজ সকাল ৮টা থেকে গোপন ব্যালেটের মাধ্যমে ভোট প্রয়োগ শুরু করেছেন। এই ভোট শেষ হবে বিকাল ৪টায়।
নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিটি চা বাগানে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানান চা শ্রমিক নেতা বিজয় হাজরা। সকাল থেকেই চা শ্রমিকরা ভোট কেন্দ্রে লম্বা লাইনে দাড়িয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট প্রয়োগ শুরু করেছেন। আর নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করতে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান।


নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে জানা যায়, এবারের এই নির্বাচনে দেশের ২০টি উপজেলার ফাঁড়ি বাগানসহ ২২৮টি চা বাগানের ৯৭ হাজার ৬৪৬ জন চা শ্রমিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আর এবারের নির্বাচনে চা শ্রমিক ঐক্য পরিষদ ও সংগ্রাম কমিটি সমর্থীত দুটি প্যানেলের পাশাপাশি মহাসংগ্রাম কমিটি নামে অংশগ্রহণ করছে আরেকটি পরিষদ। স্ষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন চা বাগানের ৩৪৩ ভোট কেন্দ্রে ২৮৮ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৪৩ জন পোলিং অফিসার, ৩৪৩ জন সহকারী পোলিং, ৯১২ পুলিশ, ৯১২জন আনসার কাজ করছে।
নির্বাচনে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের বর্তমান চা শ্রমিক সংগ্রাম কমিটি সভাপতি মন্ডলী প্যানেলের দোয়াত কলম প্রতিকে লড়ছেন মাখনলাল কর্মকার, সম্পাদকমন্ডলীর প্যানেলে ফুটবল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন রামভজন কৈরী । চা শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতিমন্ডলীর প্যানেলে বিজয় বুনার্জি প্রতীক ছাতা, সাধারণ সম্পাদকের প্যানেলে সিতারাম অলমিকের প্রতিক চেয়ার। মহাসংগ্রাম কমিটিতে সভাপতি ম-লী প্যানেলে শ্রীধনী কুর্মী প্রতীক পেয়েছেন সাইকেল, সাধারণ সম্পাদক গীতা রানী কানু প্রতীক পেয়েছেন কলস। নির্বাচনে একজন ভোটার মোট চারটি ব্যালেট পেপারে কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি প্যানেল, সাধারণ সম্পাদক প্যানেল, ভ্যালী সভাপতি, পঞ্চায়ত প্যানেলে ভোট প্রয়োগ করছেন।
এর আগে গত ১০ জুন প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ দেওয়া হয়। প্রতিক বরাদ্ধের পর থেকে প্রতীক নিয়ে পুরোদমে মাঠে নেমেছিলেন প্রার্থীরা।
নির্বাচন কমিশনের সদস্য মো, মনিরুজ্জামান উপপরিচালক,
প্রধান নির্বাচন কমিশনার শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শিবনাথ রায় বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন রয়েছে।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত