সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

শিক্ষক নিয়োগে বহিরাগতদের প্রতিহত করবে মৌলভীবাজারবাসী



নিজস্ব প্রতিবেদক:
মৌলভীবাজার জেলার স্থায়ী বাসিন্দা নয়, কিন্তু ভুয়া কাগজপত্র বানিয়ে নিজেকে মৌলভীবাজারের বাসিন্দা পরিচয়ে ইতোমধ্যে যে বা যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদেরকে প্রতিহত করতে ঐক্যবদ্ধ মৌলভীবাজারের সর্বস্তরের জনসাধারণ।

এ লক্ষ্যে মৌলভীবাজারবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বহিরাগত প্রতিহত পরিষদ’ নামে একটি সংগঠন গড়ে আন্দোলন কার্যক্রম শুরু করেছেন।

সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বহিরাগত প্রতিহত পরিষদের পক্ষ থেকে জেলার শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সম্পন্ন হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বহিরাগত প্রতিহত পরিষদের দাবি হলো: ভুয়া কাগজপত্র বানিয়ে নিজেকে মৌলভীবাজারের বাসিন্দা পরিচয়ে ইতোমধ্যে যে বা যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদেরকে চিহ্নিত করে মৌখিক পরীক্ষা থেকে বাতিল করা হোক। এবং এমন অপরাধের জন্য আইনের হাতে তুলে দিয়ে তাদেরকে দৃষ্টান্তস্বরূপে শাস্তি দেয়া হোক।

এই দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মৌলভীবাজার -৩ আসনের এমপি সৈয়দা সায়রা মহসিন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নেছার আহমদ এবং পৌর মেয়র মো: ফজলুর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ মাহবুবসহ আরও অনেক ব্যক্তিবর্গ ।

ঐ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান- ভুয়া কাগজপত্র বানিয়ে নিজেকে মৌলভীবাজারের বাসিন্দা পরিচয়ে ইতোমধ্যে যে বা যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তারা মৌখিক পরীক্ষা দিতে আসলে ওদেরকে গণধোলাই দিয়ে আইনের হাতে তুলে দিতে প্রস্তুত মৌলভীবাজারবাসী।

নেতাকর্মীরা আরও জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় মৌলভীবাজারে উত্তীর্ণ ৬৩০ জনের মধ্যে অনেকের তথ্য পাওয়া গেছে যারা এই জেলার স্থায়ী বাসিন্দা না হয়েও ভুয়া কাগজপত্র বানিয়ে নিজেকে মৌলভীবাজারের বাসিন্দা পরিচয়ে নিয়োগ পাওয়ার অপচেষ্টা করছে।

তাদের দাবি- যদি বহিরাগতদের প্রতিহত করা যায় তাহলে জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের চাকুরী প্রাপ্তির হার ৭০-৮০% হতে পারে। তাই আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ জেলার সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বায়েজীদ খান বলেন, যারা এই জেলার স্থায়ী বাসিন্দা না হয়েও নিয়োগপ্রাপ্তির জন্য অসদুপায় অবলম্বন করেছে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত