শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চট্রগ্রামে অন্তঃস্বত্ত্বা মা ও অবুঝ শিশুর চাঞ্চল্যকর আত্মহত্যা



ডিএমবি ডেস্ক :: 

চট্রগ্রামে নাসিরনগরের সিংহগ্রামের অন্তঃস্বত্ত্বা মা ও অবুঝ শিশুর এক সঙ্গে চাঞ্চল্যকর অাত্মহত্যা !  বন্দরনগরী চট্রগ্রামের পাঁচলাইশ থানাধীন এরিয়ায় বসবাস করতো ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের দক্ষিন সিংহগ্রামের বিদ্যুৎ সরকারের মেয়ে লক্ষী রানি সরকার (২৪) ও জামাতা উপজেলার গোয়ালনগরের শ্রী নন্দ সরকার(৩৫)। জানা গেছে শ্রী নন্দ সরকার চট্রগ্রামের পাঁচলাইশ থানা এলাকায় চা- বিস্কুটের দোকান চালিয়ে পরিবার নিয়ে চট্রগ্রাম থাকতেন। তাদের তিন বছরের একটি শিশু কন্যা ছিলো এবং তার স্ত্রী পুনরায় অন্তঃস্বত্ত্বা ছিলো। ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানতে গিয়ে জানা যায় যে শ্রী নন্দ সরকারের চট্রগ্রামের বাসায় তার অাপন বোন ও বোনের জামাই বেড়াতে যায় । বোন – বোন জামাইয়ের অাবদার অনুযায়ী, স্থানীয় অারো দুই বন্ধুকে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমন করার জন্য গত মঙ্গলবার ৩০ জুন তারিখ নির্ধারন করে তারা। যেহেতু লক্ষী রানি সরকার অন্তঃস্বত্ত্বা ছিলো তাই তাকে রেখেই কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে অাত্মীয় স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে রওয়ানা দেয় শ্রী নন্দ।তার স্ত্রী যেহেতু অন্তঃস্বত্ত্বা গাড়ির ঝাকুনিতে তার সমস্যা হতে পারে এই ভেবেই তাকে বাসায় রেখে গেছে এমন বক্তব্য পুলিশের কাছে দিয়েছে শ্রী নন্দ। তবে শ্রী নন্দ ও তার অাত্মীয় স্বজন কক্সবাজার পৌছার অাগেই এই মর্মান্তিক ঘটনার দুঃ সংবাদ পেয়ে ছুটে অাসে। এসে দেখতে পায় তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী লক্ষী রানি সরকার ও একমাত্র শিশু কন্যা অালিঙ্গনরত অবস্থায় শক্ত নাইলন জাতীয় দড়িতে ফাঁসি লাগিয়ে লাশ হয়ে ঝুলে অাছে। খবর পেয়ে চট্রগ্রামের পাঁচলাইশ থানার পুলিশ অন্তঃস্বত্তা মা ও শিশুর লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে লক্ষীর বাপের বাড়ি সিংহগ্রামে খবর পাঠায়। ইউপি সদস্য বীরেশ্বর মল্লিক চট্রগ্রাম গিয়ে বিস্তারিত জানতে পারে। এটি যদি অাত্মহত্যা হয় তাহলে একসঙ্গে তিনটি অাত্মহত্যা। অার যদি খুন হয় তাহলে ট্রিপল মার্ডার।যেহেতু লক্ষী অন্তস্বত্ত্বা ছিলো। লাশের পোষ্টমর্টেম শেষে পুলিশ মূল ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছে বলে জানায় ইউপি সদস্য বীরেশ্বর মল্লিক।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত