শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

হরতালে সাড়া দিল না জনগণ, বাধা দিল পুলিশ



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সকাল থেকে মিছিল দিচ্ছিল বাম গণতান্ত্রিক জোট। কিন্তু জনস্বার্থের হরতালে জনগণ সাড়াই দিল না!। অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের মতই ছিল হরতালের আধাবেলা। দোকান-পাঠ, অফিস-আদালত এমনকি ব্যাংকেও হরতালের তেমন কোন প্রভাব পড়েনি।

গ্যাসের মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ডাকা বাম গণতান্ত্রিক জোটের রোববারের আধাবেলা হরতালে মৌলভীবাজারে জনজীবনে কোন প্রভাব পড়েনি। তবে হরতালের সমর্থনের সমাবেশে পুলিশী বাঁধায় পন্ড হয়েছে। সকাল থেকেই অন্যান্য দিনের মতো নিরুত্তাপ এই হরতালে ট্রেন, বাস এবং দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করে। শহরের দোকান-পাট,অফিস-আদালত,ব্যাংকের কার্য্যক্রম স্বভাবিক ছিল।

এদিকে হরতালের সমর্থনে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শহরের চৌমুহনা এলাকায় কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি জেলা কমিটির সভাপতি আয়কর আইনজীবি মকবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নিলিমেষ ঘোষ বলু, ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সংসদের সভাপতি সুবিনয় রায় শুভ, সাধারণ সম্পাদক পিনাক দেব ও বাসদের নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে মাঠে ছিলো বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতাকর্মীরা।

পরে সকাল সাড়ে ১১টারদিকে বিক্ষোভ মিছিল শেষে চৌমুহনায় সমাবশে করতে চাইলে পুলিশ বাঁধা তাতে বাঁধা দিয়ে হরতাল কারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। হরতাল উপলক্ষে শহরের মোড়ে মোড়ে ও আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃখলাবাহিনীর সদস্যরা টহল জোরদার করে।

নিরুত্তাপ এই হরতাল নিয়ে পঞ্চাশর্ধো রিকশা চালক আব্দুস সোবহান বলেন,‘এখন আর আগের মত আর হরতাল হয় না। আগে হরতাল শোনলে মানুষ ঘর থেকে বাহির অইত না। আমরাও রিকশা চালাইতাম না। কিন্তু এখন যে হরতাল হয়, ইতা বুঝাই যায় না’।

সিপিবি জেলা কমিটির সভাপতি এ্যাড.মকবুল হোসেন অভিযোগ করেন,‘আমরা সকাল সাড়ে ৮টা থেকে চৌমুহনা থেকে সেন্ট্রাল রোড ও শমশেরনগর এলাকায় হরতালের সমর্থনে দুইদফায় বিক্ষোভ মিছিল করেছি। তখন পুলিশ বাঁধা দেয়নি। সকাল সাড়ে ১১টায় হরতালে সমর্থনে মিছিল শেষে চৌমুহনায় প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু করলে মাঝপথে পুলিশ এসে বাঁধা দিয়ে সভাটি পন্ড করে দেয়। এসময় পুলিশের সাথে আমাদের নেতাকর্র্মীদের কথাকাটি হয়।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত