বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৮ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Sex Cams

বড়লেখায় গ্রামে গ্রামে স্বেচ্ছা লকডাউন



মৌলভীবাজারের বড়লেখায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে একের পর এক গ্রাম স্বেচ্ছায় লকডাউন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার কয়েকটি গ্রাম লকডাউন করেছেন এলাকার বাসিন্দারা। এসব গ্রামের প্রবেশপথে বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এসব গ্রামের লোকজন কোথাও যাচ্ছেন না। আবার অন্য এলাকার কাউকে গ্রামে প্রবেশ করতেও দেওয়া হচ্ছে না।

স্বেচ্ছায় লকডাউন হওয়া গ্রামগুলো হচ্ছে-উপজেলার পাখিয়ালা, হিনাইনগর, তেলিগুল, ঘোলসা, রুকনপুর।

এসব গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সরকারি নির্দেশনা মানাতে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু অনেকেই নির্দেশনা মানছেন না। ফলে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যার কারণে এলাকার বাসিন্দারা গ্রামগুলোর প্রবেশপথে বাঁশ দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছেন। কোথাও আবার রাস্তার প্রবেশপথে লাল পতাকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পাখিয়ালা এলাকার বাসিন্দা তাওহিদ সারোয়ার মান্না বলেন, করোনা ভাইরাস রোধে প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এই সুযোগে অনেকেই প্রশাসনের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে আমার গ্রামের রাস্তা দিয়ে যানবাহন নিয়ে চলাচল করছেন। এতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানুষের অবাধ চলাচল রোধে আমরা গ্রামের ভেতরে বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছি। অবশ্য জরুরী প্রয়োজনে মানুষজন চলাচল করছেন।

হিনাইনগর গ্রামের বাসিন্দা জুনেদ আহমদ বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আমরা স্বেচ্ছায় আমদের গ্রামের প্রবেশপথে বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছি। বাইরের লোকজন যাতে এলাকায় প্রবেশ করতে না পারেন, সেজন্য আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। তবে জরুরী প্রয়োজনে কেউ প্রবেশ করতে চাইলে প্রবেশ করতে পারবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামামী আল ইমরান মঙ্গলবার রাতে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আমরা কাউকে লকডাউনের নির্দেশ দেইনি। আর কেউ আমাদের কাছ থেকে লকডাউনের অনুমতিও নেয়নি। তবে জরুরি কোনো প্রয়োজনে কোনো এলাকা লকডাউন করার দরকার হলে আমরা তা করবো। কিন্তু এখনও এরকম কোনো প্রয়োজন হয়নি।’

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত