মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

আল -জাজিরার বিতর্কিত ও ভিত্তিহীন ধারাবাহিক প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে জাতিকে সজাগ ও সোচ্চার ভৃমিকা রাখতে হবে..।



….মকিস মনসুর.
আল-জাজিরা টেলিভিশনটি ‘All The Prime Ministers Me ’ শীরোনামে একটি অনুষ্ঠান গত ১ ফেব্রুয়ারি লন্ডন সময় রাত ৮ টায় বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় সম্প্রচার করেছে। যাহা ধারাবাহিক ভাবে আরও কয়েকটি পর্ব দেখানো হবে বলে আল জাজিরা ঘোষণা দিয়েছে। মূল অনুষ্ঠান সম্প্রচারের দুদিন আগে থেকেই একটি বিশেষ চিহ্নিত গোষ্ঠী তথা বিএনপি ও জামাতী অনুসারীরা তাদের ফেইসবুকে এই অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রচারে নামে। এবং বাংলাদেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে সমালোচনা শুরু করে দেয়। এমনকি যে সময়ে এটি সম্প্রচার হওয়ার কথা, তার অনেক আগেই তথাকথিত ভিডিওটি ইউটিউবে চলে আসে। শুরু হয়ে যায় সমালোচনার ঝড়। আবার উনেকেই অতি উৎসাহ হয়ে সরকার পরিবর্তনের ইংগিত করে ফেইসবুকে লেখা লেখি শুরু করে দিয়েছিলেন।
এতে কি প্রমানিত হয়না বাংলাদেশ সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিডিয়ায় প্রোপাগান্ডা সৃষ্টির জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে আল-জাজিরা অতীতের মত এবারকার প্রজেক্ট ও হাতে নিয়েছে। যাহা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও বাংলাদেশ বিরোধী ধারাবাহিক চক্রান্ত। লেখার শুরুতেই আল-জাজিরা ধারাবাহিক চক্রান্তের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ঘৃনা ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।এবং প্রথমেই ধন্যবাদ ও স্যালুট জানাতে চাই যারা ফেইসবুকে বা স্যোসিয়াল মিডিয়ায় আল -জাজিরার বিতর্কিত ও ভিত্তিহীন তথাকথিত ডকুমেন্টস এর বিরুদ্ধে লেখা লেখির মাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এতেই আবার ও প্রমাণিত হলো বাংলাদেশ ও জাতির সূর্য সন্তানেরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে এবং সঠিক পথে সজাগ ও সতক রয়েছেন।
এই প্রসঙ্গে মহাণ জাতীয় সংসদের এবারকার সমাপনী বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ম্যাদার অব ইউমিনিটি দেশরত্ন শেখ হাসিনা বলেছেন দেশে-বিদেশে নানাভাবে নানা অপপ্রচার চালানোর প্রচেষ্টা। তবে যে যাই বলুক, শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমি ও মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সাথে শতভাগ একমত পোষন করছি। তবে আমাদের সবাইকে আল জাজিরার বিতর্কিত ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে দেশে বিদেশে আর ও সজাগ ও সোচ্চার ভৃমিকা রাখতে হবে এবং সবাইকে জানাতে হবে।
আল জাজিরা সমন্ধে প্রথমেই পাঠকদের কিছু ধারণা দেওয়া দরকার। এজন্য আজকের আমার এই লেখা।
১৯৯৬ সালে কাতারের আমির আল সানি কর্তৃক প্রতিষ্টিত কাতার ভিত্তিক এই তথাকথিত গণমাধ্যম আল-জাজিরা আসলে কি কাজ করছে।
পক্ষপাতদুষ্ট ও সহিংসতা সৃষ্টিতে উস্কানিমূলক সংবাদ প্রচারের কারণে সমগ্র বিশ্বের সংবাদমাধ্যমের মধ্যে আল-জাজিরা নিয়ে যত আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্ক হয়েছে, যাহা অতুলনীয়। তারা বিভিন্ন সময় বিতর্কিত ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রচারের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে। আলজেরিয়া পক্ষপাতদুষ্ট ও সহিংসতা সৃষ্টিতে উস্কানিমূলক সংবাদ প্রচারের অভিযোগে আল-জাজিরাকে সর্বপ্রথম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। একই অভিযোগে আল-জাজিরাকে ইরাক ও সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলো। আল-জাজিরার বিতর্কিত ভৃমিকার কারনে শুরুতে জড়িত তাদের বহু ভালো সাংবাদিক পদত্যাগ ও করেছেন। এখানে উল্লেখ্য যে আল-জাজিরা ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৬২৪ নং রেজ্যুলুশনে, “Freedom of expression cannot be used to justify and shield the promotion of extremist narratives”
বিভিন্ন সংস্থার অনুসন্ধানে যে ধরনের তথ্য পাওয়া যায়, তাতে এটি শুধুই একটি গণমাধ্যম, নাকি গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নে কোনো গোষ্ঠীর মুখপত্র হিসেবে কাজ করছে- এ প্রশ্ন উঠেছে বার বার। এ ছাড়া আল জাজিরা গোটা বিশ্বেই ছড়িয়ে দিচ্ছে মৌলবাদী জঙ্গি তৎপরতা এই অভিযোগ ও রয়েছে।
২০১০ সালে আল জাজিরা টেলিভিশনের কুয়েত শাখার কার্যালয় বন্ধ করে দেয় কুয়েতের সরকার। বিরোধীদের সমাবেশে পুলিশি হামলার চিত্র উসকানিমূলকভাবে সম্প্রচার করায় এর কর্মকা- বন্ধ করে দেয় তারা। পাশাপাশি দেশটিতে আল জাজিরার প্রতিনিধিদের কাজ করার অনুমোদনও প্রত্যাহার করে কুয়েত। মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগে গত জুন মাসে আল জাজিরার তিন সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদ- দেন মিসরের আদালত। তারা হলেন- পিটার গ্রেসটে, মোহাম্মদ ফাহমি এবং বাহের মোহাম্মদ। মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থন ও মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এ রায় দেন মিসরের আদালত।
পাশাপাশি মিসরের প্রসিকিউটররা চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আল জাজিরার ২০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন। দেশটিতে গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে এমন চিত্র তুলে ধরার অভিযোগ আনা হয় এসব সাংবাদিকের বিরুদ্ধে। এরকম অনেক উদাহরণ আছে।
এবার আসা যাক বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের প্রশ্নে একটি জিনিস সবাইকে জানানো উচিৎ কেউ কি কখন ও দেখেছেন বিতর্কিত ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন ছাড়া আল – জাজিরা, বাংলাদেশের কোন একটি ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করতে। কিছু বিবরণ তুলে ধরা দরকার ২০১৩ সালের ৫ই মে শাপলা চত্বরের ঘটনায় সাধারণ একটি কবরস্তানের ভিডিও দেখিয়ে ও বাক প্রতিবন্ধী এক শ্রমিকের সূত্র ব্যবহার করে হাজার হাজার লাশ দাফনের দাবি করা হয়, পরবর্তীতে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।
২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর ‘দি পলিটিকালাইজেশন অব বাংলাদেশ?স ওয়ার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল’ শীর্ষক প্রতিবেদনে তালহা আহমেদ নামের একজন প্রতিবেদক বাংলাদেশের চলমান যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা করেন।
ওই প্রতিবেদনে একাত্তরের পাকসেনাদের দোসর জামায়াতে ইসলামীর প্রতি আল জাজিরার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই প্রমাণ দেয় দলটির সঙ্গে তাদের সম্পর্কের বিষয়টির।
সেখানে বলা হয়, ‘এমনিতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল অবস্থায়- এর সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রায়। এতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্র অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে আরও।’ প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে বিতর্কিত হিসেবে অভিহিত করা হয়। এছাড়া আল জাজিরার আরও বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে জামায়াতের পক্ষে সাফাই গাওয়া হয়। বিশেষ করে ‘বাংলাদেশ পলিটিশিয়ান অ্যাকিউজড অব ওয়্যার ক্রাইম’ শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রতিবেদক যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। সেখানে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের সাবেক রাজনীতিবিদ গোলাম আযম ৪০ বছরেরও বেশি সময় আগে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচারের মুখোমুখি। ৮৯ বছর বয়সী গোলাম আযম হাঁটতে পারেন না, দেখতে পান না, এমনকি শুনতেও পান না। তা সত্ত্বেও ১০ জন সশস্ত্র পুলিশ কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক তাকে পাহারা দিচ্ছেন। সম্প্রতি জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ এক শুনানিতে গোলাম আযম ও অন্য অভিযুক্তদের আটক করে রাখার বিষয়টিকে অযৌক্তিক ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছে।’
এভাবেই যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে নিতান্ত ভালো মানুষ হিসেবে ?উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয় আল জাজিরায়। এছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলে দেশ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে নিপতিত হবে বলেও তথ্য উপস্থাপন করে আল জাজিরা।
বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে এ ধরনের আরও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয় ২০১১ সালের ১০ আগস্টে। এতে বলা হয়,It is the first time in the country’s history that evidence of war crimes will be brought before a judge, but there are accusations that the government is using the trials to round up the opposition.
শুধু মুক্তিযুদ্ধ কিংবা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোই নয়, বরং বাংলাদেশের অন্যান্য ঘটনা নিয়েও ‘নেতিবাচক’ উপস্থাপনের একটি প্রবণতা সব সময়ই করেছে আল জাজিরা সংবাদ পরিবেশনায়। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে ‘সাভারের একটি ইটভাটা থেকে শিশু ও নারীসহ শেকলবন্দি ৩০ জনকে উদ্ধার করে জঅই। সে সময় দেশি-বিদেশি মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার হয়েছিল ওই ঘটনা। কিন্তু উদ্দেশ্যমূলকভাবে দুই মাস পর পুনরায় ভিডিওচিত্রসহ ওই ঘটনা নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে আল জাজিরা।
এক্ষেত্রে সচেতন মহলে প্রশ্ন ওঠে, একই ঘটনার ভিডিওচিত্র দুই মাস পরেও ফলাও করে কেন প্রচার করল আল জাজিরা? সব সময় টাটকা খবর দিয়ে দুনিয়াজোড়া নাম কামানো এই গণমাধ্যমের উদ্দেশ্য কী? ওই প্রতিবেদনে ভিডিওচিত্রসহ তুলে ধরা হয় ইটভাটা শ্রমিকদের দুর্দশা ও নির্যাতিত হওয়ার চিত্র। আল জাজিরার ওয়েবসাইটে এশিয়া বিভাগের “হোয়াট’স হট” অংশে গুরুত্বের সঙ্গে ২৬ জানুয়ারির ঘটনাটির ভিডিওচিত্র প্রচার করা হয় ‘পুলিশ রেইড বাংলাদেশ সেইভ ক্যাম্প’ শিরোনামে। দেশের ইটভাটায় ক্রীতদাসের মতো শ্রমিকদের বন্দী জীবন, শিশুশ্রম এবং অসহায় দারিদ্র্যকে তুলে ধরা হয় রিপোর্টটিতে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ লাখ উল্লেখ করে আল জাজিরা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। ‘বাংলাদেশ পার্টি চিফ টু হ্যাং ফর ওয়ার ক্রাইমস’ শিরোনামে প্রচারিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ইতিহাসবিদদের হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে ৩ থেকে ৫ লাখ মানুষ মারা যায়।’ রিপোর্টার যখন এই তথ্য দিচ্ছিলেন তখন ফুটেজে দেখানো হচ্ছিল, কিছু মানুষ একদিকে ছুটছে। সেখানে পুরুষরা সব প্যান্ট-শার্ট আর নারীরা স্কার্ট, টপস পরা। ছবির মানুষরা শ্বেতাঙ্গ।
যুদ্ধাপরাধ বিচার আন্দোলনের শীর্ষ নেতা, গবেষক ও তথ্যচিত্র নির্মাতা শাহরিয়ার কবির এর তীব্র প্রতিবাদ করে বলেছিলেন, ‘ওই রিপোর্টে প্রচারিত ফুটেজ কোনোভাবেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ফুটেজ নয়। এই ফুটেজ কোনোভাবেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে প্রতিনিধিত্ব করে না।’ তিনি বলেছিলেন, কামারুজ্জামানের চূড়ান্ত রায়ের পর আল জাজিরা টেলিভিশনে প্রচারিত প্রতিবেদনে দুটি বিষয় ‘স্পষ্ট অপরাধ’।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ছাড়া ও রোহিঙ্গা ইস্যু, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন ও কোটা আন্দোলন ইত্যাদি নিয়ে একের পর এক উস্কানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল আল জাজিরায়। এবার ও অতীতের মত বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে আল জাজিরার ‘All The Prime Ministers Me ’ শীরোনামে সম্প্রচারিত প্রতিবেদনটি (যাহা আরও কয়েকটি সিরিজ করার কথা রয়েছে) উদ্দেশ্যমূলক, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রের অংশ।
বাংলাদেশ বিরুধী আল-জাজিরার যেসব ভিত্তিহীন নিউজ ইতিমধ্যে প্রচার প্রচারণা করেছে অধিকাংশ নিউজের পিছনে যে লোকটি কাজ করছে উনার একটু পরিচয় দেওয়া প্রয়োজন। যিনি একটা বিশেষ শ্রেণির এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করাই যার মূল লক্ষ্য। তিনি হচ্ছেন বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় জোট বিএনপি-জামাত জোটের প্রধান সমন্বয়ক
ড. কামাল হোসেনের জামাতা ডেভিড বার্গম্যান। বার্গম্যান বিদেশে থাকা বাংলাদেশের কিছু ব্যক্তির সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন এবং বিএনপি-জামায়াতের আরো ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে কাজ চালাচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি নিয়মিত বানোয়াট সংবাদ তৈরি করে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
এই সব প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ আল জাজিরার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সহ বাংলাদেশে এই চ্যানেলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।
করোনা সংকট মোকাবেলায় সরকারের সাফল্য, পদ্মা সেতুসহ মেগা প্রকল্পগুলো যখন দৃশ্যমান, উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যার মানবিক ও আদর্শিক নেতৃত্ব যখন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত ঠিক সেই মুহূর্তে এমন প্রতিবেদন দেশবিরোধী ও প্রতিহিংসামূলক ষড়যন্ত্রের রাজনীতির নির্লজ্জ বহিঃপ্রকাশ। আন্দোলন-সংগ্রামে ব্যর্থ হয়ে যারা বাঁকা পথে ক্ষমতায় যাওয়ার দুঃস্বপ্ন দেখছে, এই অপপ্রচার সেই স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ও তাদের পৃষ্ঠপোষকরা বিদেশে বসে যারা দেশ বিরোধী অপপ্রচার করছে এবং উসকানি দিচ্ছে যাহা নতুন ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ। ‘
আল জাজিরার এই হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে আমাদের সবার সোচ্চার ও সচেতন হতে হবে।, যারা ইতিমধ্যে আল -জাজিরার বিতর্কিত ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন এর বিরুদ্ধে ফেইসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে লিখে যাচ্ছেন তথা বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন আবার ও সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন শুভেচ্ছা ও স্যালুট জানিয়ে বলতে চাই
জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী মুজিবর্ষ ও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের শুভলগ্নে আসুন দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নিরক্ষরতামুক্ত অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা বিনির্মাণে মানণীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সকল ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো প্রত্যয়ে দেশে বিদেশে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হিসাবে কাজ করে যাবো এই হোক আমাদের দীপ্ত শপথ..জয় বাংলা. জয় বঙ্গবন্ধু. জয় শেখ হাসিনা.বাংলাদেশ চিরজীবী হোক; মানবতার জয় হোক।
************************************************
(লেখক পরিচিতি:- ৯০ এর গন-আন্দোলনের বাংলাদেশের সাবেক ছাত্রনেতা বৃটেনের কমিউনিটি লিডার ও সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর.যুক্তরাজ্য যুবলীগের সাবেক সহ সভাপতি. ইউকে ওয়েলস যুবলীগের সাবেক সভাপতি. ইউকে ওয়েলস ছাত্রলীগ সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছাড়া ও যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় সদস্য, ওয়েলস আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি. জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ ইউকের সভাপতি. জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত-বার্ষিকী মুজিববর্ষ সার্বজনীন উদযাপন নাগরিক কমিটি ইউকে ওয়েলসের যুগ্ম আহবায়ক এবং হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ইন ইউকের সভাপতি এবং বৃটেনের কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল ম্যাদার ল্যাংগুয়েজ মনুমেন্ট ফাউন্ডার্স ট্রাষ্ট তথা শহীদ মিনার কমিটির সেক্রেটারি.সহ ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান. ও ডেইলি সিলেট এন্ড দৈনিক মৌলভীবাজার মৌমাছি কন্ঠের সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন.) ***************************************************

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত