সোমবার, ৫ এপ্রিল ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ চৈত্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সোনারগাঁওয়ের রিসোর্টে নারীসহ মাওলানা মামুনুল আটক. ঐ মহিলা যে ছিল সাথে সে হইল আমগোর শহিদুল ভাইয়ের ওয়াইফ, বুচ্ছো?।



নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি রিসোর্টে নারীসহ বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় জনগণের হাতে আটক হন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় রয়াল রিসোর্টের ৫ম তালার ৫০১ নম্বর কক্ষে তাকে অবরুদ্ধ করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
মামুনুল হকের দাবি, সঙ্গে থাকা নারী নাম আমিনা তৈয়ব। তিনি মামুনুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী। আমিনাকে সঙ্গে নিয়ে রিসোর্টে ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জায়েদুল আলম গণমাধ্যমকে জানান, মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানাধীন রয়েল রিসোর্টের একটি কক্ষে নারীসহ অবস্থান করছেন- এমন খবরে স্থানীয় লোকজন রিসোর্ট ঘেরাও করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। মামুনুল হক পুলিশকে জানিয়েছেন, সঙ্গে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। পরে পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দিয়ে সেখান থেকে উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় পুলিশ জানায়, মামুনুল হক সকালে রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষটিতে ওঠেন। দুপুর থেকেই এলাকায় চাউর হয় মামুনুল হক এক নারীসহ রিসোর্টে অবস্থান করছেন। এই খবরে এলাকার লোকজন রিসোর্টটি ঘেরাও করে।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তবিদুর রহমান বলেন, এখানে মামুনুল হক একজন নারীকে নিয়ে উঠেছেন, এই খবর পেয়ে এলাকার লোকজন ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের কিছু নেতা-কর্মী তার কক্ষটি ঘিরে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশও আসে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এখানে রয়েছেন। পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এসেছেন।
মামুনুলকে ঘেরাওয়ের খবরে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ‘রয়েল রিসোর্ট’ নামে ওই অবকাশ যাপনকেন্দ্রটিতে যান। সেখানে মামুনুল সংবাদকর্মীদের বলেন, দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে অবকাশ যাপনে তিনি ওই রিসোর্টে যান। সেখানে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে।
মামুনুল বলেন, ‘মাস্তান প্রকৃতির লোকেরা এসে আমাকে আমার ওয়াইফসহ নাজেহাল করেছে। আমাকে আক্রমণ করেছে।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শনিবার দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে সোনারগাঁয়ে যাই। জাদুঘর ঘুরে দেখে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য এখানে (রিসোর্টে) আসি।’

মামুনুলের  ভাষ্য অনুযায়ী
বউয়ের নাম- আমেনা তৈয়বা
শ্বশুরের নাম- জাহিদুল ইসলাম
শ্বশুরবাড়ি – খুলনা

দ্বিতীয় বউয়ের ভাষ্য অনুযায়ী

নাম- জান্নাত আরা
পিতা- অলিউর রহমান
বাড়ি- আলফাডাঙা, ফরিদপুর

পরবর্তীতে নিজের বৌয়ের সঙ্গে ফোনালাপে-

মামুনুলঃ ওয়ালাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। পুরো বিষয়টা তোমাকে আমি সামনে এসে বলব। ঐ মহিলা যে ছিল সাথে সে হইল আমগোর শহিদুল ভাইয়ের ওয়াইফ, বুচ্ছো? ঐটা নিয়ে একটা মানে ওখানে অবস্থা এরকম তৈরি হয়ে গেছে যে এই কথা বলা ছাড়া… ওখানে মানে ওরা ই করে ফেলছিল আমাকে…বুচ্ছো?

মামুনুলের স্ত্রীঃ আচ্ছা বাসায় আসেন তারপরে কথা হবে। যা বলার বইলেন।

মামুনুলঃ না না বলুম তো.. তুমি বিষয়টা মানে অন্যান্য কথা অন্যদের বলতে হইব পরিস্থিতিটা এরকম হয়ে গেছে। এখন এইজন্য তুমি আবার মাঝখান দিয়ে অন্যকিছু মনে কইরো না। তোমাকে কেউ জিজ্ঞেস করলে তুমি বইল যে হ্যা আমি সব সব জানি। এরকম কিছু একটা বইল…

মামুনুলের স্ত্রীঃ ঠিকাছে

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত