মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ চৈত্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রাজনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের মাতৃবিয়োগ ;।



 আজ সোমবার দুপুর ২,১৫ মিনিটে রাজনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মনসুর নগর ইউনিয়ন পরিষদের দুই দুইবারের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মিলন বখত এর মাতার নামাজে জানাজা অনুষ্টিত হয় রাজনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বখত বাড়ীতে। পড়ে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে তিনিকে সমাহিত করা হয়। উক্ত নামাজে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার সদর রাজনগর আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমেদ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মিছবাহুর রহমান ছাড়াও রাজনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, জাসদ, বিএনপি সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন এর নেত্রিবৃন্দ রাজনগর উপজেলার চেয়ারম্যানগন উপস্থিত ছিলেন। সকলে তিনির রুহের মাগফিরাত ও শোক সম্মত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।জনাব বখতে মা মরহুম সেলিনা বখত (৯৭)একজন রক্ষনশীল পরহেজগার মহিলা ছিলেন। আমার লেখালেখি জগত যার হাতে হাতেখড়ি মিলন বখত এর চাচাতো ভাই বর্তমান কানাডা প্রবাসী মহসীন বখত এর সুবাদে প্রায়ই তাদের বাড়িতে দিনে রাতে যাতায়াত ছিল। অনেক রাত্রি যাপনও করেছি এ বাড়ীতে। তাদের বাড়ীর সকল অনুষ্ঠানে ছিল আমার সরব উপস্থিতি। মহসীন ভাই কানাডা চলে যাবার পড় প্রায়ই মিলন ভাইর সাথে জমিয়ে রাজনৈতিক আড্ডা হতো। আমার ছাত্র জীবনে জাসদ ছাত্রলীগের রাজনীতির জন্য দিনকে রাত করে কাজ করেছি, তখন তিনি যুবলীগের সভাপতি ছিলেন আমাকে অনেকবার চেষ্টা করেছেন মুজিবাদী ছাত্রলীগে নিয়ে যেতে। তখন প্রায়ই তাদের বাড়িতে যেতাম। তখন থেকে তিনির সাথে আমার গনিষ্টতা। তিনির মা আমাকে প্রচন্ড ভাল বাসতেন। তিনি যদিও লন্ডনে স্হায়ী ভাবে বসবাস করতেন কিন্তুু প্রতি ব্যসরই দেশে আসতেন দেশে আসলেই দেখা হতো, কথা হতো, বড় মমতাময়ী মা ছিলেন।সকল মানুষকে অতি সহজেই কাছে টেনে নিতেন। অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে এ খালার সাথে। খালা পাকিস্তান আমলের একজন শিক্ষিত মা ছিলেন। তখনকার আমলে তিনি এস,এস,সি পাশ ছিলেন।তিনির পৃত্রালয়ে থাকা অবস্হায় শিক্ষকতা পেশার সাথে যুক্ত ছিলেন। বিয়ের পড়েও সে পেশা অব্যাহত রেখেছেন।জনাব বখতের বাবা লন্ডন প্রবাসী ছিলেন বিদায় খালা লন্ডন চলে যাবার পর শিক্ষকতা ছেড়ে দেন। খালার মৃত্যুকালে চার মেয়ে এক ছেলে নাতি নাতনি সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৯৭ ব্যসর। তিনি লন্ডন অসুস্থ হয়ে পড়লে জনাব বখত তিনিকে দেশে নিয়ে আসেন। চার ব্যসর যাবত তিনি দেশে রেখে নিজের বাসায় রেখে চিকিৎসা ও সেবা করে যান বখতের স্ত্রী সন্তানেরা। মিলন বখতে সহধর্মিণী জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি পারভীন বখত দেখেছি নিজের বাসায় নিজের শাশুড়ীকে নিয়ে সব সময় ব্যস্ত থাকতে। নিজের মায়ের মতো সেবা করে গেছেন শাশুড়ী কে দিনকে রাত করে। মহিলা যুবলীগ নেত্রি পারভিন বখতও একজন অসাধারণ মহিলা এ মহিলাকে দেখছি বিয়ের পড় থেকে। বখতের বিয়ের পড়ে আড়াই দিনের যাত্রায় বর কনের সাথে আমিও শশুড়ালয় কুলাউড়া গিয়েছিলাম। দুপুরের খানি খেয়ে বিচারী আসতে হয়েছে বরের সাথে। এ পরিবার এসেছিলেন ১৮ ব্যসরের এক মেয়ে আজ তিনি দুই মেয়ে এক ছেলের মা। এক ছেলে এক মেয়েতো উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত আর ছোট মেয়েও কিছু দিনের ভেতরে উচ্চ শিকার শেখড় পেড়োবে। এতকাল ধরে পারভিন ভাবিকে দেখছি কি ভাবে ঘর বাহির দুটো এক সাথে সামাল দিতে। তিনি যে সর্বগুনে গুনধর একজন মহিলা, একজন নেত্রি, একজন গৃহিণী সেটা অকপটে স্বীকার করতে হয়। লাল সালাম পারভিন ভাবিকে। তিনি তিনির শাশুড়ীর যোগ্য উত্তর সুরি বউ। তিনিও একজন মমতাময়ী মা। তিনি বাড়ীতে থাকতে তো প্রায়ই যেতাম না খেয়ে একদিন ও আসিনি। কর্ম ব্যস্ত জীবন ছাত্রজীবন শেষে যখন নিজের এলাকায় গিয়ে ব্যবসা বানিজ্য শুরু করি, অবস্হান করি এলাকায়। তারা চলে যান শহরে, তখন তেমন একটা বখত বাড়ী যাওয়া হতো না। মাঝে মধো শহরে আসলে বাসায় যেতাম। কিছু না খেয়ে আসার যু নেই। মিলন বখতের মা ছিলেন একজন রত্নগর্ভা জননী। তিনির চার মেয়ের মধ্যে দুই মেয়ে সপরিবারে লন্ডনে স্হায়ী ভাবে বসবাস করেন। দুই মেয়ে বাংলাদেশে থাকলেও ভাল ভাবেই আছেন ছেলে মেয়ে নিয়ে। এক ছেলে মিলন বখত জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, রাজনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, মনসুর নগর ইউনিয়ন পরিষদের দুই দুইবারের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সম্মত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মৌলভীবাজার সদর রাজনগর আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমেদ, জেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মিছবাহুর রহমান, জেলা জাসদ সভাপতি আব্দুল হক, সাধারন সম্পাদক হাজি নাজিমউদ্দীন নজরুল,

ইউকে থেকে মৌলভীবাজার জেলার সাবেক ছাত্রনেতা ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর. রাজনগর উপজেলা জাসদ সভাপতি হুমায়ুন কবির ময়ূন, সাধারন সম্পাদক মোস্তাক চৌধুরী,উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ময়নুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ফৌজি, মেধা সংস্কৃতি বিকাশ সমাজকল্যাণ পরিষদ রাজনগর উপজেলার প্রতিষ্টাতা ও উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম কয়ছর, সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইকবাল, সম্পাদক আকলু মিয়া চৌধুরী। সাপ্তাহিক মনুকূলের কাগজ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক খছরু চৌধুরীসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ। তারা শোক সম্মত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন । এবং মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন। খোদা যেন এ নামাজি পরহেজগার মাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন আমিন।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত