বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Sex Cams

সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের ‘শোকাবহ আগস্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্টিত..।




শোকের মাস আগস্ট শুরু হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে ‘শোকাবহ আগস্ট’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনার আয়োজন করেছে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ। সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এম. নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মজিবুর রহমান এর পরিচালনায় অনুষ্টিত আলোচনা সভায়
প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, এমপি, ও
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক,ড. শাম্মী আহমেদ,
এই আলোচনা সভায় ইউরোপের সব দেশের আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ সকল নেতৃবৃন্দকে যুক্ত হয়ে আলোচনার অংশ নিয়ে গ্রুরুত্তপূণ বক্তব্য রাখেন।

“কাঁদো বাঙ্গালী কাঁদো” অশ্রুঝরা আগস্ট, শোকে,শক্তিতে,স্বপ্নে, পিতা বঙ্গবন্ধু তোমায় স্মরি.জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শুধু একটি নামই নয়, একটি মুক্তির পথ, একটি বিশ্বাসের নাম। তিনি ছিলেন বাঙালি জাতির পথ প্রদর্শক ও জাতির মুক্তির নায়ক। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলার আকাশ ; বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলার মানচিত্র। স্মরি.বাঙালি জাতির পথ প্রদর্শক ও মুক্তির নায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব.

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সপবিারে হত্যা করা হয় বাংলাদেশের স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আমাদের প্রাপ্য ছিল কিন্তু ১৯৭৫ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর ক্যুখ্যাত ইমডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের হাত ধরে ক্ষমতায় আসা খন্দকার মোশতাক। এতে বলা হয়, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত বা পরিকল্পনার সাথে জড়িত কারো বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা করা যাবেনা। এমনকি সুপ্রীম কোর্ট বা কোর্ট মার্শালেও তাদের বিচার করা যাবেনা। অফিসে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও রুদ্ধ করা হয় অধ্যাদেশে।
বাংলাদেশের সংবিধানে হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রাপ্তির মৌলিক অধিকারকে খর্ব করে আদেশটিকে আইনে পরিণত করেন জিয়াউর রহমান।

১৯৭৯ সালের ৯ই জুলাই সংসদে পাশ হয় মানবতাবিরোধী ইমডেমনিটি আইন। দেশে শুরু হয় বিচারহীনতার সংস্কৃতি। শাস্তির পরিবর্তে পুরস্কৃত করা হয় খুনিদের। দেয়া হয় বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি। দূতাবাসের চাকরির পাশাপাশি মহান পবিত্র সংসদেও ১৯৮৮ ও ১৯৯৬ সালে প্রতিনিধত্ব করে বঙ্গবন্ধুর খুনিরা।

১৯৯৬ সালের ১২ই নভেম্বর ক্যুখ্যাত ইনডেমনিটি আইনটি বাতিল করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনার সরকার। আর এভাবেই খুলে যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ। এর ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতি হয় কলঙ্কমুক্ত।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত