শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সৈয়দা_জোহরা_আলাউদ্দিন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নারী রাজনীতিবিদ এবং একাধারে কবি।



সৈয়দা_জোহরা_আলাউদ্দিন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নারী রাজনীতিবিদ এবং একাধারে কবি। তিনি মহিলা আওয়ামী লীগ মৌলভীবাজার জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা এবং একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন (মহিলা আসন-৩৬, মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০১৯ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। তিনি দীর্ঘদিন যাবত জাতীয় মহিলা সংস্থা মৌলভীবাজার জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন।
সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিনের জন্ম ১৯৫৪ সালের ৯ই আগস্ট মৌলভীবাজার জেলার বালিকান্দি গ্রামে হয়। তার বাবার নাম সৈয়দ সৈয়দুল ইসলাম এবং মাতার নাম ফাতেমা খাতুন চৌধুরী।
তিনি মৌলভীবাজার আলী আমজাদ সরকারী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকাত্তর অর্জন করেন।
তিনি কুলাউড়ার রাউৎগাঁও-এর মরহুম আব্দুল বারী চৌধুরীর বড় ছেলে বীর মুক্তিযাদ্ধা মরহুম আলাউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী।
সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন ১৯৬৭ সালে মহকুমা ছাত্রলীগের প্রাথমিক সদস্য হিসাবে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন পরে জেলা ছাত্রলীগের সহ সভানেত্রীর পদে দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় থাকায় তিনি কারাবরণ করেন। ১৯৭০ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পরও তিনি কারাবরণও করেন। তারপর পুলিশ পাহারায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে বিএনপি জামায়াত সরকারের সময়ে বহুবার তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয়। সন্তানাদি রেখে তাকে বহুদিন আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন কৈশরকাল থেকেই আওয়ামীলীগের কর্মী হিসেবে কাজ করে নিজেকে সম্পৃক্ত করে অদ্যাবদি করে যাচ্ছেন। যেসব কারণে বৃহত্তর সিলেট বিভাগের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম আস্থাভাজন নারী নেত্রী হিসেবে উনার সুখ্যাতি আছে।

কবি সমাজে একজন দক্ষ লেখিকা হিসেবে সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন সুনাম অর্জন করেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বেশ কয়েকটি কবিতার এবং প্রবন্ধ বই লিখেন। তার প্রথম প্রকাশিত দুটি বই হচ্ছে “শতদল” এবং “সায়াহ্নে সমীরণ”। “শতদল” বইটি ২০১৫ সালে অমর একুশে বইমেলাতে প্রকাশিত হয় এবং “সায়াহ্নে সমীরণ” বইটি ২০১৮ সালে প্রকাশিত হয় যেগুলো পাঠক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর ২০২১ সালে তার লিখা দুটি বই “মুজিব আমার পিতা, হাসিনা আমার নেতা” এবং “রাজাকারের আত্মকথা” প্রকাশিত হয়।
১০ জুলাই, ২০২১ গণভবন থেকে বই দুইটির মোড়ক উন্মোচন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত