Wednesday, February 21, 2018
গ্রেটার সিলেট কাউন্সিল ইউকের নির্বাচনে মাহবুব-মকিস-রানা প্যানেলের চেয়ার মার্কার সমর্থনে ওয়েস্ট বার্মিংহামে নির্বাচনী সভা অনুষ্টিত » « প্যানেল স্পীকার ‘সৈয়দা সায়রা মহসীন এমপির জাতীয় সংসদে মৌলভীবাজার সরকারী মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবী তোলায় ক্যাম্পেইন ওয়াটার্স আপ গ্রুপের অভিনন্দন… » « স্কুলের উন্নয়নে আমাদের সবাইকে ভৃমিকা রাখতে হবে : গৌরবের ৪০ বৎসর পূণর্মিলনীতে এই হোক দীপ্তশপথ » « সৈয়দা সায়রা মহসিন এমপি প্যানেল স্পীকার হওয়ায় প্রবাস থেকে মকিস মনসুর এর অভিনন্দন » « শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি ও সম্পাদক সহ নির্বাচিতদের বৃটেন থেকে অভিনন্দন » « এক কাপ রঙ চায়েই খালেদা জিয়ার দিন পার » « ইরানে ৪.২ মাত্রার ভূমিকম্প » « মোবাইলে কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা » « লাইসেন্স ছাড়াই চলছে অর্ধশতাধিক বার » « সাংবাদিকদের ডিবির যুগ্ম-কমিশনার‘ছিনতাইকারীদের কোনো সংঘবদ্ধ চক্র নেই’

যা পায় তাই খায় দশ বছরের শিশু!

নিউজ ডেস্ক::প্রেডার উইলি সিনড্রোম নামক এক দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত দশ বছরের ছোট্ট শিশু ক্যাডেন বেঞ্জামিন। বিরল এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে বেঞ্জামিনের শরীরে দেখা দিয়েছে দুটি ভয়াবহ সমস্যা। প্রথমটি হলো রাক্ষুসে ক্ষুধা। তার ক্ষুধার তীব্রতা এতটাই বেশি যে তা রূপকথার রাক্ষসকেও হার মানায়। ক্যাডেন বেঞ্জামিনের বসবাস দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্যান্ডারটনে।

দশ বছর বয়সি একটি স্বাভাবিক শিশুর যেখানে দিনে চার থেকে পাঁচ বার খাওয়ার চাহিদা জাগে সেখানে বেঞ্জামিনের সারাক্ষণ ক্ষুধা লেগেই থাকে এবং ক্ষুধা পেলে সে টয়লেট পেপার, কাগজ থেকে শুরু করে ময়লা-আবর্জনা যা সামনে পায় তাই খেয়ে ফেলে। বিশেষ করে যে কোনো ধরনের কাগজ খাওয়াটা তার কাছে নেশার মতো।

সকালের নাস্তায় চারটি পনির টোস্ট, কোকাকোলা এবং রাতের বেঁচে যাওয়া বাসি খাবার দিয়ে তার দিন শুরু হয়। এরপর দুপুরে দুটি বড় সাইজের মুরগি এবং দিনের বাকি সময় সে কিছু না কিছু খেতেই থাকে। তার এই তীব্র ক্ষুধা নিবারণে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় তার বাবা-মাকে।

বেঞ্জামিনের দ্বিতীয় সমস্যা স্থূলতা। মাত্র দশ বছরেই তার ওজন নব্বই কেজি। অতিরিক্ত ওজনের কারণে আর দশটা স্বাভাবিক শিশুর মতো হাঁটা-চলা তো দূরের কথা, তাকে নিঃশ্বাস নিতে হয় কৃত্রিম নলের সাহায্যে। ফলে ধীরে ধীরে তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও হয়ে উঠেছে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর।

দুর্বিষহ যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে শিশু বেঞ্জামিন যেমন তার জীবনের প্রতিটি দিন পার করছে তেমনি বিষাদময় হয়ে উঠেছে তার পিতা-মাতার জীবন। প্রিয় পুত্রকে বাঁচাতে ছুটে যাচ্ছেন দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। কিন্তু কোথাও মিলছে না সমাধান।

এক সাক্ষাৎকারে মিসেস বেঞ্জামিন বলেন, ‘আমাদের কাছে এখন প্রতিটি দিন হয়ে উঠেছে যুদ্ধের মতো। আদরের সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখার যুদ্ধ। বেঞ্জামিন আর দশটা স্বাভাবিক শিশুর মতো খেলতে চায়। কিন্তু শারীরিক অক্ষমতার কারণে সে তা পারে না। মা হয়ে এই যন্ত্রণাময় দৃশ্য আমাকে দেখতে হয়।’-ডেইলি মেইল

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত

সর্বশেষ সংবাদ

February 2018
M T W T F S S
« Jan    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728