Sunday, April 22, 2018
মৌলভীবাজারে সরকারী মেডিকেল কলেজ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবীতে লন্ডনে গোলটেবিল বৈঠক সম্পন্ন: এক নব- ইতিহাসের সূচনা » « বৃটেনের লন্ডন শহরে দিনব্যাপী ‘সিলেট উৎসব সম্পন্ন » « অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল এর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও হামলাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ইন ইউকের নেতৃবৃন্দ » « অর্থমন্ত্রীর সাথে সাংবাদিক সেলিম আহমেদ’র সৌজন্য সাক্ষাৎ » « স্কীল ওয়ার্কারদের বৈধতার দাবীতে লন্ডনে শ্যাডো মিনিস্টারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও স্মারকলিপি প্রদান » « বৃটেনের কার্ডিফে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান একুশ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত » « ইউকে কাডিফ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মহান একুশ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত » « ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অফ দা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে’ যুক্ত হওয়া ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ: বঙ্গবন্ধুর অমর কাব্য » « ভয়াবহ তুষারপাতে বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে ওয়েলস সহ সমগ্র বৃটেন » « গ্রেটার সিলেট কাউন্সিল ইউকের নির্বাচনে মাহবুব-মকিস-রানা প্যানেলের চেয়ার মার্কার সমর্থনে ওয়েস্ট বার্মিংহামে নির্বাচনী সভা অনুষ্টিত

ঐতিহাসিক জেল হত্যা দিবস আজ

ডেস্ক রিপোর্ট :: আজ বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলঙ্কময় অধ্যায় জেল হত্যা দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে বেদনাময়ও এই দিনটি। স্বাধীনতা বিরোধীরা ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। চার জাতীয় নেতা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

ঘাতকরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বর্বরোচিতভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। এর কিছুদিন পরই বঙ্গবন্ধুর আজীবন রাজনৈতিক সহচর, বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে যারা মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সেই জাতীয় চার নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর গুলি করে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে ঘতকরা।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রুরা এ দেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি। পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে স্বাধীনতা বিরোধী দেশি-বিদেশি চক্র জাতির পিতাকে হত্যা করে। এরপর স্বাধীনতা বিরোধী ওই চক্র এ দেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

স্বাধীন বাংলাদেশ যাতে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়, বাংলাদেশ যাতে এগিয়ে যেতে না পারে, স্বাধীনতা যাতে ব্যর্থ হয় সেই চক্রান্ত করে স্বাধীনতা বিরোধীরা। এদেশে যেন কোনদিন স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেই ষড়যন্ত্র থেকেই নিরাপদ স্থান জেলখানার অভ্যন্তরে এই চারজনকে হত্যা করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধকালে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থেকে জাতীয় চার নেতা ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

শুধু মুক্তিযুদ্ধ নয়, সকল আন্দোলন-সংগ্রামে এই চার নেতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহযোদ্ধা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকেছেন। বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধুকে যখন কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে, এই চার নেতাই তখন আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন।

স্বাধীনতা বিরোধীরা ঘাতক চক্রের উদ্দেশ্য ছিলো বাঙালিকে নেতৃত্ব শূন্য করে বাংলাদেশকে পুনরায় পাকিস্তানের পদানত করে মুক্তিযুদ্ধের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেয়া।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত

সর্বশেষ সংবাদ

April 2018
M T W T F S S
« Mar    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30