Saturday, February 17, 2018
গ্রেটার সিলেট কাউন্সিল ইউকের নির্বাচনে মাহবুব-মকিস-রানা প্যানেলের চেয়ার মার্কার সমর্থনে ওয়েস্ট বার্মিংহামে নির্বাচনী সভা অনুষ্টিত » « প্যানেল স্পীকার ‘সৈয়দা সায়রা মহসীন এমপির জাতীয় সংসদে মৌলভীবাজার সরকারী মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবী তোলায় ক্যাম্পেইন ওয়াটার্স আপ গ্রুপের অভিনন্দন… » « স্কুলের উন্নয়নে আমাদের সবাইকে ভৃমিকা রাখতে হবে : গৌরবের ৪০ বৎসর পূণর্মিলনীতে এই হোক দীপ্তশপথ » « সৈয়দা সায়রা মহসিন এমপি প্যানেল স্পীকার হওয়ায় প্রবাস থেকে মকিস মনসুর এর অভিনন্দন » « শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি ও সম্পাদক সহ নির্বাচিতদের বৃটেন থেকে অভিনন্দন » « এক কাপ রঙ চায়েই খালেদা জিয়ার দিন পার » « ইরানে ৪.২ মাত্রার ভূমিকম্প » « মোবাইলে কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা » « লাইসেন্স ছাড়াই চলছে অর্ধশতাধিক বার » « সাংবাদিকদের ডিবির যুগ্ম-কমিশনার‘ছিনতাইকারীদের কোনো সংঘবদ্ধ চক্র নেই’

আজ ৬ই ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গল মুক্ত দিবস

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি:: আজ ৬ ডিসেম্বর, শ্রীমঙ্গল মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল মুক্ত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের এই দিনে লড়াকু মুক্তিযোদ্ধারা লড়াই করে হানাদার বাহিনীকে শ্রীমঙ্গল থেকে হটিয়ে শত্রুমুক্ত করেছিল। তবে এর আগে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে নিহত হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণের মুখে শ্রীমঙ্গল শহর ছেড়ে পালিয়েছিল পাক-হানাদার বাহিনী। তবে এই মুক্তির স্বাদ নিতে গিয়ে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে চা বাগান ঘেরা এই জনপদের মানুষকে। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর তৎকালীন সংসদ সদস্য আলতাফুর রহমান, কমান্ডার মানিক চৌধুরৗ ও ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর নেতৃত্বে শ্রীমঙ্গলে গঠিত হয় মুক্তিবাহিনী। ২৩ মার্চ শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সামনে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে স্বাধীন বাংলার রক্তাক্ত পতাকা উত্তোলন করেন তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা। দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধ শেষে ৬ ডিসেম্বর শহরের ভানুগাছ সড়ক দিয়ে আবারও পৌরসভা চত্বরে প্রবেশ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। সেখানে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়িয়ে বিজয়ের উল্লাসে মেতে উঠেন তারা। উপজেলার সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিটি রয়েছে সিন্ধুরখান ইউনিয়নে।
স্বাধীনতা যুদ্ধে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সেদিন মুক্তিবাহিনীতে যোগ দিয়েছিল এ অঞ্চলের নিরীহ চা শ্রমিকরা। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এক পর্যায়ে ৩০ এপ্রিল পাক-হানাদার বাহিনী নির্মমভাবে গণহত্যা চালায় তাদের উপর। যুদ্ধের ব্যাংকার বানানোর কথা বলে শহর সংলগ্ন ভাড়াউড়া চা বাগানে প্রবেশ করে সেখানে এক সঙ্গে ৫৪ জন চা শ্রমিককে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে তাদের উপর গুলি চালায় পাক-বাহিনী।
ভাড়াউড়া বধ্যভূমি স¤পর্কে উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কুমুদ রঞ্জন দেব বলেন, এখানে ১৯৭১ এ ৫৪ জন চা শ্রমিককে একসঙ্গে নিয়ে এসে পাক-হানাদার বাহিনী হত্যা করে অরক্ষিত অবস্থায় ফেলে রেখেছিল। এই বধ্যভূমির একটি স্মৃতিফলক আছে। শ্রীমঙ্গলে সকল বধ্যভুমিতে স্বৃতিস্তম্ভ করার জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী বরাবরে আবেদন জমা দেয়া হয়েছে।
কুমুদ রঞ্জন দেব আরো বলেন, আজ ৬ ডিসেম্বর আমরা শ্রীমঙ্গল মুক্ত দিবস পালন করব। ৬ ডিসেম্বরের এই দিনে উপজেলার সকল মুক্তিযোদ্ধারা সকালে শ্রীমঙ্গল বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন বধ্যভূমিতে পু¯প অর্পণ করব।
এদিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুব লীগ,ছাত্রলীগ সহ মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল জনগণকে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে দিবসটি পালনের জন্য আহ্বান করেছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ সমর্থক গোষ্ঠী।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত

সর্বশেষ সংবাদ

February 2018
M T W T F S S
« Jan    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728