Wednesday, February 21, 2018
গ্রেটার সিলেট কাউন্সিল ইউকের নির্বাচনে মাহবুব-মকিস-রানা প্যানেলের চেয়ার মার্কার সমর্থনে ওয়েস্ট বার্মিংহামে নির্বাচনী সভা অনুষ্টিত » « প্যানেল স্পীকার ‘সৈয়দা সায়রা মহসীন এমপির জাতীয় সংসদে মৌলভীবাজার সরকারী মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবী তোলায় ক্যাম্পেইন ওয়াটার্স আপ গ্রুপের অভিনন্দন… » « স্কুলের উন্নয়নে আমাদের সবাইকে ভৃমিকা রাখতে হবে : গৌরবের ৪০ বৎসর পূণর্মিলনীতে এই হোক দীপ্তশপথ » « সৈয়দা সায়রা মহসিন এমপি প্যানেল স্পীকার হওয়ায় প্রবাস থেকে মকিস মনসুর এর অভিনন্দন » « শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি ও সম্পাদক সহ নির্বাচিতদের বৃটেন থেকে অভিনন্দন » « এক কাপ রঙ চায়েই খালেদা জিয়ার দিন পার » « ইরানে ৪.২ মাত্রার ভূমিকম্প » « মোবাইলে কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা » « লাইসেন্স ছাড়াই চলছে অর্ধশতাধিক বার » « সাংবাদিকদের ডিবির যুগ্ম-কমিশনার‘ছিনতাইকারীদের কোনো সংঘবদ্ধ চক্র নেই’

জগন্নাথপুরে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ঘোষগাঁও ব্রিজের এপ্রোচ ধসে গাড়ি চলাচল বন্ধ, জনভোগান্তি চরমে

ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ,জগন্নাথপুর:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে ঘোষগাঁও ব্রিজের পূর্ব দিকের এপ্রোচ ধসে পড়েছে। এতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জন ভোগান্তি চরমে পৌছেছে।

সরজমিনে স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুরে ব্রিজের প্রায় ২৫ থেকে ২৮ ফুট এরিয়া নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো এপ্রোচ ধসে পড়েছে। বর্তমানে মাত্র ২ থেকে ৩ ফুট অবশিষ্ট সড়ক ভাঙনের কবলে রয়েছে। তাও যে কোন সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছোট রাস্তা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ পায়ে হেটে চলাচল করছেন।
এদিকে-এপ্রোচটি ধসে পড়ায় জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ সড়কে সকল প্রকার যানবাহন সরাসরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে যাত্রী ভোগান্তি চরমে পৌছেছে। যদিও জগন্নাথপুর থেকে এ ব্রিজ ও ব্রিজ থেকে শিবগঞ্জ পর্যন্ত দুই দিক থেকে যানবাহন চলাচল করছে। তবে ব্রিজ এরিয়া পায়ে হেটে যাতায়াত করছেন জনতা।
এ সময় স্থানীয় ভূক্তভোগী জনতা জানান, গত প্রায় দুই মাস আগে ব্রিজের এ স্থানের প্রায় ২০ ফুট এরিয়া নিয়ে প্রথমে ধসে পড়ে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলোআপ করে সংবাদ চাপা হলেও কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি। তারা অভিযোগ করে বলেন, এ সময় ধসে যাওয়া স্থানে মেরামত করা হলে এখন পুরোটা ধসে যেত না। তখন কাজ করা হলে হয়তো মাত্র ৪/৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ধসে যাওয়া স্থান পুনরায় মেরামত করা যেত। বর্তমানে ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়েও কাজ শেষ করা যাবে কিনা সন্দেহ রয়েছে বলে এ কাজে অভিজ্ঞ অনেকে জানান। এতে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে কাজের ব্যয় ও জনতার ভোগান্তি বেড়েছে বলে ভূক্তভোগীদের মধ্যে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) গোলাম সারোয়ার কর্তৃপক্ষের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ স্থানের গভীরতা প্রায় ৬০ ফুট। এখানে সাধারণ ভাবে মেরামত কাজ করার কোন সুযোগ নেই। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ধসে যাওয়া স্থানটি পুনরায় মেরামত করার বিষয়ে আমাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত কাজ শুরু হয়ে যাবে।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত

সর্বশেষ সংবাদ

February 2018
M T W T F S S
« Jan    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728