Wednesday, June 20, 2018

মালয়েশিয়ায় থাকা বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর

প্রবাস ডেস্ক::মালয়েশিয়ায় থাকা ৫ লাখের বেশি অবৈধ বাংলাদেশি বৈধতা পাচ্ছেন । আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে এ কর্মসূচি । কুয়ালালামপুর থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, চলমান রি-হায়ারিংয়ের আওতায় প্রায় ৬ লাখ অবৈধ বাংলাদেশি নিবন্ধিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ ভিসা পেয়েছেন। তারা এখন পুরোপুরি বৈধ বা নিয়মিতভাবে দেশটিতে কাজকর্ম করছেন।

নাম ও বয়স জটিলতার কারণে কমপক্ষে ১০ শতাংশ ভিসা পাননি। তারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। তবে তাদের ভাগ্যে কি ঘটতে যাচ্ছে, অর্থাৎ তারা জটিলতা নিরসনের সুযোগ পাবেন নাকি দেশে ফিরতে হচ্ছে এটি এখনো নিশ্চিত নয়। অবশ্য আশার দিক হচ্ছে নিবন্ধিত প্রায় ৬০ শতাংশ শ্রমিকের ভিসাসহ বৈধতার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে তাদের ভিসাসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ দিয়েছে মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। কুয়ালালামপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার শহিদুল ইসলামও উল্লিখিত তথ্যের সঙ্গে দ্বিমত বা ভিন্নমত করেননি।

এবিষয়ে বাংলাদেশির হাইকমিশনার বলেন, খুব বেশি নেই, ৫-৬ হাজার বাংলাদেশি অপেক্ষায় রয়েছেন। আশা করছি ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে তাদেরও নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

এ পর্যন্ত নিবন্ধিত বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ (প্রায় দু’লাখ) রি-হায়ারিংয়ের আওতায় ভিসাসহ অন্যান্য প্রক্রিয়ায় পুরোপুরি সম্পন্ন করে দেশটিতে ফের নিয়মিত বা বৈধ হয়েছেন দাবি করে হাইকমিশনার বলেন, বাকিদের ভিসাসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আরো ৬ মাস সময় বাড়িয়েছে মালয়েশিয়া সরকার।

এদিকে মালয়েশিয়া সরকার দেশটিতে গৃহকর্মী (নারী) নিয়োগে ভারত, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনসহ ৯টি দেশকে বাছাই করেছে। এদের অনেকের সঙ্গে কুয়ালালামপুরের ডমেস্টিক এইড রিক্রুটের আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা সমঝোতা হতে যাচ্ছে। সেখানে বাংলাদেশ নেই। বাংলাদেশ দেশটিতে গৃহকর্মী পাঠাতে চায় না, নাকি মালয়েশিয়া আমাদের দেশ থেকে নারী কর্মী নিতে চায় না? তবে এবারে যে ৯টি দেশ থেকে মালয়েশিয়া নারী শ্রমিক নিচ্ছে সেখানে কেন বাংলাদেশ নেই? সেই প্রশ্নে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি বাংলাদেশের হাইকমিশনার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির সম্ভাবনাময় দেশগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়া। দেশটিতে রি-হায়ারিং ও ই-কার্ডের আওতায় অনেক শ্রমিক বৈধতা পেয়েছেন এবং পেতে যাচ্ছেন। নতুন শ্রমিকরাও যাচ্ছেন নিয়মিতভাবে। অবশ্য পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণসহ সরকারের এ সংক্রান্ত মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্তরা মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের দেশে দেশে বৈধ অভিবাসনের চেষ্টাই করে যাচ্ছেন। হাইকমিশনার শহীদুল ইসলামও বৈধ অভিবাসনের ওপরই জোর দিয়েছেন।

কূটনৈতিক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত কয়েক বছরে লাখ লাখ বিদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই তাদের বিরাট অংশ দেশটির শিল্প-কারখানায় কাজ করছে।

পরিসংখ্যান বলছে, এর মধ্যে ২৯ দশমিক ৪ শতাংশ ইন্দোনেশিয়ার, ২৩ দশমিক ৬ শতাংশ নেপালের, ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ বাংলাদেশের, ৬ দশমিক ৯ শতাংশ মিয়ানমারের, ভারতের ৫ দশমিক ১ শতাংশ, ফিলিপাইনের ৩ দশমিক ১ শতাংশ, ২ দশমিক ৫ শতাংশ পাকিস্তানের এ

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত

সর্বশেষ সংবাদ

June 2018
M T W T F S S
« May    
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930