বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সিলেটে শেষ হলো ই-কমার্স মেলা



100_4568-bg20130406132016

ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সিলেটে শেষ হলো ‘ই-কমার্স ও ডিজিটাল উদ্ভাবনী’ মেলা। শনিবার মেলার তৃতীয় ও শেষদিন দর্শক সমাগম ছিল উল্লেখযোগ্য।
মেলার অংশ হিসেবে কুইজ ও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার পাশাপাশি এদিন বিকেল ৩ টায় বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) এর আয়োজনে ই-কমার্সের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে মেলা শেষ হয়।
‘ঘরে বসে কেনাকাটার উৎসব’ স্লোগান নিয়ে আয়োজিত এ মেলা সিলেট স্টেডিয়াম সংলগ্ন মোহাম্মদ আলী জিমনেশিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের পৃষ্ঠপোষকতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমানে সহায়ক ‘সিলেট ই-বাণিজ্য মেলা-২০১৩ ও ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা’ এর আয়োজক ছিল সিলেট জেলা প্রশাসন ও মাসিক ‘কমপিউটার জগৎ’।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম খান। মেলা প্রাঙ্গনে আয়োজিত সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার এন এম জিয়াউল আলম, সিলেট জেলা প্রশাসক খান মোহাম্মদ বিলাল, সহকারি জেলা প্রশাসক এ জেড এম নুরুল হক, বাংলাদেশ কমপিউটার কাউন্সিলের নির্বাহি পরিচালক এস এম আশফাক হোসেন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট ই-বাণিজ্য মেলার আহ্বায়ক ও কমপিউটার জগৎ-এর কারিগরি সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ তমাল।
তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, “দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। শীঘ্রই আইসিটি পার্কের উদ্বোধন করা হবে। এক জায়গায় সব ধরণের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে একত্র করার এই কাজটি শুরু হলে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথ অনেকটা এগিয়ে যাবে।”
তিনি বলেন, আমরা সরকারিভাবে ই-বাণিজ্যকে প্রসারের জন্য মেলাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। ঢাকা ও সিলেটের পর দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরগুলো থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ই-বাণিজ্য মেলাকে সম্প্রসারিত করা হবে বলে জানান তিনি।
তথ্যপ্রযুক্তি সচিব তিন দিনের এই মেলা সফলভাবে সম্পন্ন করায় কমপিউটার জগৎসহ সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধন্যবাদ জানান।
সিলেট বিভাগীয় কমিশনার এন এম জিয়াউল আলম বলেন, ই-বাণিজ্য মেলা সিলেটবাসীকে অনেক কিছুই দিয়েছে। মেলায় এসে সবাই জানতে পেরেছেন ঘরে বসেই কিভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ সবধরণের কেনাকাটা করা যায়। সিলেটের প্রবাসীরা এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে বিদেশ থেকে প্রিয়জনকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ বিভিন্ন উপহার পাঠাতে পারবেন।
সিলেট ই-বাণিজ্য মেলার আহ্বায়ক ও কমপিউটার জগৎ-এর কারিগরি সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, সিলেটের ই-বাণিজ্য মেলা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সফল হয়েছে। আগামী রমজানের আগেই চট্রগ্রামে এই ধরণের মেলা আয়োজিত হবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য বিভাগীয় শহরগুলোতে এই মেলার আয়োজন করা হবে। আর বরাবরের মত এই মেলার আয়োজক হিসেবে থাকবে কমপিউটার জগৎ।
সমাপনি অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথিরা কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ও ই-বাণিজ্য নিয়ে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এছাড়া ৠাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝেও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।