সোমবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শনিবার পোশাক কারখানা ছুটি



000

ডেস্ক রিপোর্ট : সাভারে ভবন ধসে মানবিক বিপর্যয়ের পর রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক বিক্ষোভ ও ভাংচুরের প্রেক্ষাপটে শনিবার সব গার্মেন্ট কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
শনিবার ঢাকায় বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম ) করে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের দ্বিতীয় সহ সভাপতি এস এম মান্নান কচি।
তিনি বলেন, “আগামীকাল সব গার্মেন্ট ছুটি থাকবে। আমরা বিজিএমইএ কার্যালয়ে সদস্যদের সঙ্গে বসে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করব। প্রয়োজনে সব কারখানার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হবে কি না সে বিষয়েও আলোচনা হবে।”
এছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যায় বিজিএমইএর সব সাবেক সভাপতি এবং বিকেএমইএ ও বিটিএম এ নেতাদের সঙ্গেও শ্রমিক বিক্ষোভ ও সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান কচি।
বুধবার সাভার বাসস্ট্যান্ডের নয়তলা ভবন রানা প্লাজা ধসে পড়ে পর নিহতের সংখ্যা ২৯০ ছাড়িয়ে গেছে।
নয় তলা ওই ভবনের দোতলা পর্যন্ত দোকান ছিল। ওপরে ছিল পাঁচটি পোশাক কারখানা।
আগের দিন ওই ভবনে ফাটল দেখা দিলে শিল্প পুলিশ ভবনে কাজ বন্ধ করতে বললেও বুধবার সকালে কারখানাগুলোতে কাজ শুরু হয়। শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের কারখানায় ঢুকতে বাধ্য করা হয়।
ভবন ধসে হতাহতের ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিজিএমইএ ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় পোশাক শ্রমিকরা। সাভার, আশুলিয়ায় শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এসে ভাংচুর শুরু করলে ওই এলাকার সব কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। গাজীপুরেও শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে গাড়ি ভাচুর করে।
এরপর শুক্রবার গাজীপুরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাপক বিক্ষোভ ও ভাংচুর চলে।
রাজধানীতেও বিভিন্ন স্থানে পোশাক শ্রমিকরা বিক্ষোভ দেখায় এবং যানবাহন ভাংচুর করে। এই পরিস্থিতিতে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল দারুণভাবে বিঘ্নিত হয়।
শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবারই রানা প্লাজার পাঁচ পোশাক কারখানার সদস্যপদ স্থগিত করে বিজিএমইএ।
কারখানাগুলোর মধ্যে নিউ ওয়েভ বটমস ও নিউ ওয়েভ স্টাইলের মালিক মাহবুবুর রহমান তাপস ও বজলুস সামাদ আদনান। ফ্যানটম অ্যাপারেলস ও ট্যাকের মালিক মো. আমিনুল ইসলাম। আর ইথারটেক্সের মালিক মো. আনিসুর রহমান।