শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

‘নিখোঁজ’ ইলিয়াস ইস্যু : বিশ্বনাথে ভাংচুর-সংর্ঘষের ঘটনায় দায়েরকৃত দুটি মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল



Ilias-Ali

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি : নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ইস্যুকে কেন্দ্র করে গত বছরের ২২ এপ্রিল সিলেটের বিশ্বনাথে পুলিশে সাথে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটানায় দায়েরকৃত দুটি মামলার অভিযোগপত্র গত মঙ্গলবার আদালতে পুলিশ দাখিল করে। অভিযোগ পত্র নং ৬০ (জি.আর- ৬৯/১২) ও ৬১ (জি.আর- ৭০/১২)। দীর্ঘ এক ২৪ এপ্রিল মামলা দুটি তদন্তকারী কর্মকর্তা বিশ্বনাথ থানার এস আই ইসমাইল হক ও এস আই সাঈদ আহমদ দুটি অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন।
আদালতে দাখিলকৃত ৬০ নং অভিযোগপত্রে এজাহারনামীয় ৬৫জনসহ মোট ২৫০জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে নতুন অভিযুক্ত করা হয়েছে ১৮৫ জনকে। এরই মধ্যে ৯ জনকে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে পর্যাপ্ত স্বাক্ষ্য প্রমাণ না পাওয়ায় মামলা থেকে তাদেরকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।
অপর,দায়েরকতৃ অভিযোগ পত্রে এজাহারনামীয় ৮২জনসহ মোট ২৫৩জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে নতুন অভিযুক্ত করা হয়েছে ১৭১ জনকে। এরই মধ্যে ১২জনকে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে পর্যাপ্ত স্বাক্ষ্য প্রমাণ না পাওয়ায় মামলা থেকে তাদেরকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।
উভয় অভিযুক্তপত্রে উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন-সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাহিদ আলী, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জালাল উদ্দিন চেয়ারম্যান, সহ-সভাপতি শফিক উদ্দিন আহমদ চেয়ারম্যান, তাহিদ মিয়া চেয়ারম্যান, সোহেল আহমদ চৌধুরী, আবুল কালাম কছির, যুগ্ম-সম্পাদক লিলু মিয়া চেয়ারম্যান, আবদুল হাই, নাজমুল ইসলাম রুহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন ধলা মিয়া চেয়ারম্যান, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা আব্বাস আলী চেয়ারম্যান, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক নুর উদ্দিন, যুগ্ম-আহবায়ক সুরমান খান, শামীমুর রহমান রাসেল, সেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক কাওছার খান, যুগ্ম-আহবায়ক কয়েছ মিয়া, আশিকুর রহমান রানা, ছাত্রদলের আহবায়ক শামছুল ইসলাম, যুগ্ম-আহবায়ক শেখ ফরিদ।
প্রসঙ্গত, নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবিতে গত বছরের ২২ এপ্রিল হরতাল চলাকালে পুলিশ-বিএনপির নেতাকর্মীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই সময় বিক্ষোদ্ধ নেতাকর্মীরা সংবাদ পত্রের গাড়ি ও আনছার ভি, ডি, পি’র অফিস ভাংচুর এবং চায়ের দোকানে অগ্নি সংযোগ করে। এঘটনায় থানা পুলিশ বাদি হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। ওইদিন বিএনপির ১২ নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করে।
এব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বলেন, গত বছরের ২২ এপ্রিল পুলিশের ওপর হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় দায়েরকৃত দুটি মামলার অভিযোগপত্র আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।