বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সশস্ত্রবাহিনী দিবস:শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা



Shikha_Onirban_454673339

নিউজ ডেস্ক:: শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে শনিবার (২১ নভেম্বর) সকালে ঢাকা ক্যান্টমেন্টে শিখা অনিবার্ণে শ্রদ্ধা জানান তারা।

সকাল ৮টায় শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের উদ্দেশ্যে সশস্ত্র সালাম প্রদর্শন করে। পরে রাষ্ট্রপতি শিখা অনিবার্ণ পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এরপর শিখা অনিবার্ণে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের উদ্দেশ্যে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

শিখা অর্নিবার্ণে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষরের পর প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যান। সেখানে তিন বাহিনীর প্রধানরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এরপর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল এম ফরিদ হাবিব ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল আবু এসরার নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে তিন বাহিনী প্রধানরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

দিনটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী এবং নির্বাচিত সংখ্যক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা জানান।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে বৈকালীন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতিগণ, সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা, প্রাক্তন উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও মন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি, প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনার, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূত, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, ঢাকা এলাকার সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রাক্তন প্রধান, ২০১৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, নির্বাচিত রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, স্বাধীনতা যুদ্ধের সব বীরশ্রেষ্ঠর উত্তরাধিকারী, স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে ঢাকা এলাকায় বসবাসরত খেতাবপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তাদের উত্তরাধিকারীরা, উচ্চপদস্থ বেসামরিক কর্মকর্তা এবং তিন বাহিনীর চাকরিরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।